নজরবন্দি ব্যুরোঃ টীকার তৃতীয় পর্যায়ের নথি জমা করল ভারত বায়োটেক, মিলবে ‘হু’ এর অনুমোদন? অবশেষে তাদের তৈরি করোনার টীকা কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের নথি জমা করল ভারত বায়োটেক। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (DCGI) কাছে তারা এই রিপোর্ট জমা করেছে। প্রসঙ্গত তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ হওয়ার আগেই দেশবাসীকে কোভ্যাক্সিন টিকা দেওয়ার ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্র। তাই এবার সেই ট্রায়ালের রিপোর্ট জমা করল তারা।
আরও পড়ুনঃ যোগী নয় ‘মোদী ম্যাজিকে’ই ফের উত্তরপ্রদেশ জয় করবে বিজেপি, নিশ্চিত একে শর্মা।
এবার সেই ফলাফল খতিয়ে দেখতে আজই বৈঠকে বসতে চলেছে DCGI। এই টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর সংক্রমণের সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ ক্ষেত্রে আর থাকে না, ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে এমন জানানো হলেও নিয়ম অনুযায়ী এখনও কোনও জার্নালে এই ট্রায়ালের নথি প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ছাড়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে এই ট্রায়ালের রিপোর্ট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-র এমার্জেন্সি ইউস লিস্টিং (ইইউএল)-এও নাম ওঠেনি কোভ্যাক্সিনের। এজন্য সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নথি জমা করতে হবে হু-র কাছে। চূড়ান্ত নথি জমা করার আগে বুধবার হু কর্তাদের সঙ্গে ‘প্রি-সবামিশন’ বৈঠকে বসবে ভারত বায়োটেক।
এই বৈঠকে হু বিশষেজ্ঞরা চূড়ান্ত নথিতে কী বিষয় উল্লেখ করতে হবে, সেই নিয়ে পরামর্শ দেবে। মূলত টিকার ট্রায়ালের নথি, সুরক্ষা, গুণমান, সংক্রমণ রুখতে কতটা সক্রিয় এসবই জানাতে হয় হু-কে। এই ইইউএল তালিকায় কোভ্যাক্সিনের নাম উঠলে তা বিদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাধা থাকবে না। এই টিকা নিয়ে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাড়পত্র পেতে অসুবিধা হবে না ভারতীয়দের।
টীকার তৃতীয় পর্যায়ের নথি জমা করল ভারত বায়োটেক, মিলবে ‘হু’ এর অনুমোদন? আবার ভবিষ্যতে অন্য দেশে এই দেশীয় ভ্যাকসিন রপ্তানির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে এই রিপোর্ট। তাই এখন সবার নজর এই ট্রায়াল নিয়ে DCGI এর রিপোর্টের দিকে।



