ভারত বনধের জেরে স্তব্ধ রাজধানীর যানচলাচল, রাজ্যে গ্রেফতার একাধিক CPIM নেতা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলছে কৃষকদের ডাকা বনধ। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ডাকা এই বনধ চলবে সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। বনধের প্রভাব সবথেকে বেশি পড়ছে দিল্লিতে। ভারত বনধের জেরে স্তব্ধ রাজধানীর যানচলাচল। গুরুগ্রাম-দিল্লি সীমানায় প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে ব্যাপক যানজট তোইরী হয়েছে। সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে খবর, নাশকতার আশঙ্কায় দিল্লি পুলিশ ও প্য়ারামিলিটারি জওয়ানরা গাড়ি চেকিং করছে। সেই কারনেই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এর চেয়ে আফগানিস্তান ভাল, মমতার পাড়ায় প্রচার করতে না পেরে ব্যাখ্যা সুকান্তর!

নয়া কৃষি আইন বাতিল, ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, বীমা, ট্রেন, রেল স্টেশন, খনি, কারখানা বিক্রি বন্ধ করা, শ্রম কোড বাতিল, নয়া বিদ্যুৎ বিল ও জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিল করা, রান্নার গ্যাস, পেট্রল ডিজেল সহ সব জিনিসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করার দাবিগুলিকে সামনে রেখে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এই ভারত বনধের ডাক দিয়েছে। বনধ কে সমর্থন জানাতে এগিয়ে এসেছে বাম, কংগ্রেস, টিডিপি সহ একাধিক রাজনৈতিক দল।

ভারত বনধের সমর্থনে এদিন রাস্তায় নেমেছেন বামপন্থীরা। দফায় দফায় চলছে পথ অবরোধ। সল্টলেক করুণাময়ী মোড়ে অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীনই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় সিপিআইএম কর্মীদের। অবরোধে বাধা দিতেই পুলিশের সঙ্গে প্রথমে বচসা পরে তা হাতাহাতি শুরু হয়। বিধাননগর এরিয়া কমিটি-২ এর সম্পাদক দেবাশিস সিনহা ও সদস্য শাশ্বতী মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ভারত বনধের জেরে স্তব্ধ রাজধানীর যানচলাচল

ভারত বনধের জেরে স্তব্ধ রাজধানীর যানচলাচল। এদিকে বন্‌ধকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধী থেকে শুরু করে নভজ্যোত সিংহ সিধু ও পঞ্জাবের অন্য নেতারা। ফলে সে রাজ্যে মোটের উপর দেখা গিয়েছে বন্‌ধের স্পষ্ট প্রভাব। অন্য দিকে কেরলে বন্‌ধ সমর্থন করেছে ইউডিএফ ও এলডিএফ, দু’টি জোটই। তাই কার্যত ফাঁকা হয়ে গিয়েছে কেরলের রাস্তা। অন্যদিকে বাম কৃষক এবং শ্রমিক সংগঠনের শক্তিশালী গড় বিহার, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং ত্রিপুরাতেও বনধের ভাল প্রভাব পড়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত