“বাংলা গুজরাট বা উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে গুণ্ডামি চলবে না”; মমতা

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ “বাংলা গুজরাট বা উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে গুণ্ডামি চলবে না”; মমতা ।“বাংলা গুজরাট বা উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে গুণ্ডামি চলবে না।“ এই ভাষাতেই মঙ্গলবার নবান্ন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, বিজেপির ভোটের প্রচারকে ‘গারবেজ অফ লাইজ অফ এ পলিটিক্যাল পার্টি’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। বিজেপির আক্রমণকে ভোঁতা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন কেন্দ্র নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃসারদা মামলায় নয়া মোড়, তদন্তে নতুন ভয়েস রেকর্ডিং সিবিআই-এর হাতে

কোন কাজ করার আগে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে কখনই কিছু জিজ্ঞাসা করে না। আগে যোজনা কমিশন ছিল, এখন সেসব তুলে দিয়েছে। ফলে পকেট থেকে চিরকুট বের করে যা ইচ্ছে তাই বলছে।’ তিনি স্পষ্টই জানান, এই নির্বাচনের আগে অনেক বদনাম করবে, অনেককে জেলে পুরবে। মিথ্যে কথা বলবে। কিন্তু তাতে ভয় পেলে হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী সেখান থেকেই প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, অবশেষে মাঝেরহাট ব্রিজের কাজ শেষ।

আগামী ৩ তারিখ, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করা হবে সেতুর। এরপরই তিনি বলেন, “এবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের ১২৫ তম জন্মদিন। সেই কারণে সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার মধ্যে প্রথম হল, মাঝেরহাট ব্রিজের নাম পালটে করা হচ্ছে জয় হিন্দ।” নিজের আয় সম্পর্কে উত্তর দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদ কিংবা বিধানসভা থেকে কোনও টাকা নিই না। গান গেয়ে, লিখে, এঁকে টাকা তুলি। তাই নিয়ে এত কথা। ইচ্ছে হলে লক্ষ লক্ষ টাকা বেতন ও পেনশন নিতে পারতাম। কিন্তু তা নিই না। একটা পয়সাও সরকারের খরচ করি না। কিছু না জেনে বড় বড় কথা।’

পিএম কেয়ারস ফান্ড নিয়েও এদিন তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘যার ভাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই, সে হয়েছে কিল মারার গোঁসাই। বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না বাংলায়। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়।’ বিজেপি ও বিরোধী একাধিক দলের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিল্পী-সত্ত্বা নিয়ে প্রায়ই কটাক্ষ করেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সেই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

“বাংলা গুজরাট বা উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে গুণ্ডামি চলবে না”; মমতা ।এদিন তিনি বলেন, ”আমি ছবি আঁকি বলে এত হিংসা? ছবি আঁকার টাকা তো মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল, রাজ্যপালের ত্রাণ তহবিলে যায়। আমি বই লিখি, গানের সিডি বানাই। সেখান থেকে যা পাই তা যদি দলের কাজে ব্যবহার করি তাতে আপত্তি কীসের? আপনাদের তো হাজার-হাজার কোটি টাকার কোনও হিসেবই নেই।’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত