সাত সকালেই ঝেঁপে বৃষ্টি বাংলায়, টানা বর্ষণে ভাসছে ঘাটাল-চন্দ্রকোনা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃষ্টি থামছেই না বাংলায়। নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ বৃষ্ট হতে পারে কোন স্থানে বাংলায় তার গন্ডি পেরিয়ে গিয়েছে আগেই। গোটা মাসের বৃষ্টিপাত ঝরে গিয়েছে কবেই। তার পরেই থামার কোন নাম নেই। টানা ভারি বৃষ্টিতে নাজেহাল মানুষ। হাঁটু জল শহরের অলি গলিতে, গাঁ-গঞ্জে ভাসছে জমি, পুকুর।

আরও পড়ুনঃ আদালতের রায়ে সাময়িক স্বস্তি পর্ষদ সভাপতির, এখনই জরিমানা দিতে হবে না মানিককে

নিম্নচাপের কারণেই এই সপাথের শুরু থেকেই ভারি বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায়। আবহাওয়া দপ্তরের পুর্বাভাস ছিল বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঘূর্নাবর্তের কারণে সপ্তাহের শেষের দিকে ফের প্রবল বর্ষন হতে পারে বাংলায়। তবে জমে থাকা জল নামার আগেই আজ শুক্র সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কোথায় কোথায় শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টিপাত।

হাওয়া অফিসের তরফে সতর্কবার্তা জারি করে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, এবার তা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। ফলব সপ্তাহের শেষ দু’দিন অর্থাৎ শনি-রবি বজ্র বিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা।

নিম্নচাপ এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূলের দিকে, সাত সকালেই ঝেঁপে বৃষ্টি বাংলায়,

সাত সকালেই ঝেঁপে বৃষ্টি বাংলায়, টানা বর্ষণে ভাসছে ঘাটাল-চন্দ্রকোনা।

টানা বর্ষাতে সমস্যার মুখে পড়েছে গ্রামের মানুষেরা। ভাসছে রাস্তা ঘাত, জমি-পুকুর। এক মাস আগেই বন্যা হয়েছে রাজ্যে। সেই ক্ষত আর ক্ষতি ঠিক হবার গাএই ফের এই টানা বৃষ্টি। ইতিমধ্যেই জলস্ত্রর বেড়েছে ঘাটালের ঝুমী নদীর। পারাপারের জন্য থাকা বাঁশ কাঠের সাঁকো ভেসে গিয়েছে জলের তোড়ে।

স্থানীয় বাসীন্দারের বক্তব্য, “প্রতি বর্ষাতেই আমাদের এই দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। সকলের সমান অবস্থা। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে হয় প্রবল সমস্যা।”  জলের টোড়ে ভেঙ্গেছে কেলেঘাই এর বাঁধ। জল জমেছে হাসপাতালের সামনেও।

সাত সকালেই ঝেঁপে বৃষ্টি বাংলায়, টানা বর্ষণে ভাসছে ঘাটাল-চন্দ্রকোনা।
সাত সকালেই ঝেঁপে বৃষ্টি বাংলায়, টানা বর্ষণে ভাসছে ঘাটাল-চন্দ্রকোনা।

এদিকে টানা বৃশটির কারণে থমে আছে শিলাবতির বাঁধ মেরামতির কাজ। আগের বন্যাতেই বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কাজ হচ্ছিল সারাইয়ের। গত বন্যার জল কমার পর চন্দ্রকোনার  ব্লক প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেই বাঁধ ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে মেরামত করা শুরু হলেও, মাঝপথে সেই কাজের দায়িত্ব নেয় সেচ দফতরের আধিকারিকরা। তাতে দেরি হয় কাজের। তার পরেই এই টানা বর্ষনের বিপত্তি।

স্বাভাবিক জীবন থেকে যাতায়াত, চাষের ক্ষতি সব নিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই ফের আকাশ কালো আজ সকাল থেকেই। বৃষ্টি শুরু হয়েছে জেলায় জেলায়। হাওয়া অফিস সঙ্কেত দিয়েছে আগামি দুদিন প্রবল বর্ষণের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত