নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৬ বছর আগের পরিক্ষার প্রশ্নপত্রের ভুল নিয়ে মামলা চলছে আদালতে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষায় ৬টি প্রশ্ন ভুল ছিল। তার প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, যাঁরা ওই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েছেন তাদের পুরো নম্বর দিতে হবে। অভিযোগ সেই নাম্বার পাননি তাঁরা। ভুল প্রশ্নপত্রের উত্তরদাতাদের নম্বর না দেওয়ার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য্য-এর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুনঃ মোদির বিকল্প হতে পারেননি রাহুল! মমতাকেই মুখ করে প্রচার শুরু তৃণমূলের
পর্ষদের কাণ্ডকারখানায় চরম বিরক্ত বিচারপতি দিন কয়েক আগেই মানিক ভট্টাচার্যকে হাইকোর্টে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেন। সময়মতো হাইকোর্টে হাজির হয়ে ক্ষমাও চেয়েছিলেন মানিক বাবু। শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ‘‘আপনাকে অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য নেই আদালতের। কিন্তু আপনি আদালতের নির্দেশ মানেননি। তাই এই পদক্ষেপ। আপনি ল’কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন? তার পরও আইনকে অবহেলা করেছেন?”

মামলার রায়ে আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, ১৯ জন মামলাকারীকে ২০ হাজার টাকা দেবেন মানিক ভট্টাচার্য্য। মানিক বাবু নিজের আয় থেকে জরিমানা দেবেন, ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। আজ সেই মামলার শুনানি ছিল।
আদালতের রায়ে সাময়িক স্বস্তি পর্ষদ সভাপতির, এখনই ৩ লাখ ৮০ হাজার দিতে হচ্ছে না মানিক ভট্টাচার্য্যকে

শুনানিতে জরিমানা দেওয়ার রায়ে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত।। জানানো হয়েছে এখনই জরিমানা দিতে হবে না পর্ষদ সভাপতিকে। তবে আগামী দিনে তা দিতে হবে কিনা তা বিচার করে জানানো হবে। একই সঙ্গে ওই ১৯ জনকে অবিলম্বে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সঙ্গে জানানো হয়েছে আগামী ১লা অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত সমসত রিপোর্ট জমা করতে হবে আদালতে। তার পরেই মানিক বাবুর জরিমানার বিষয়টি নিয়ে ফের বিবেচনায় বসবে আদালত।



