নজরবন্দি ব্যুরোঃ সব অধিকার দিয়েছেন শোভন, নতুন ইনিংস উভয়ের! এতোদিন বন্ধু, দাদা বলে এলেও এই মুহুর্তে তাঁদের সম্পর্ক আর শুধু বন্ধুত্বের নয়। অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন খোদ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাক্তিগত জীবনের পাশাপাশি ফেসবুকেও নিজের নামের সঙ্গে জুড়ে নিয়েছেন ‘শোভন’ এর নাম। এখন থেকে তিনি শোভন বৈশাখী ব্যানার্জী। ছবিতে ক্যাপশন দিয়েছেন ‘The Journey From Me to We Begins’
আরও পড়ুনঃ ১৬৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক – শিক্ষিকা নিয়োগে নজিরবিহীন বঞ্চনার অভিযোগ!
তার পর থেকেই তাঁদের ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা অন্য মাত্রা লাভ করেছে। এমনিতেই বাংলার রাজনৈতিক মহল রঙিন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে। সমস্ত আলোচনার মাঝখানে এসে প্রায় সব আলো শুষে নেন তাঁরা। বাংলা রাজনীতির রোমিও জুলিয়েট আখ্যাও পেয়েছেন ইতিমধ্যে। আর তা নিয়ে নিজেদের মতো করেই দিন কাটাচ্ছেন উভয়েই।
রাজনীতির চরম পর্যায় থেকে নারদা কান্ডে জেলে যাওয়া শোভন, কান্নাকাটি, হল্লাহাটি সব নিয়ে প্রায় প্রত্যেক জায়গাতেই স্বমহিমায় উপস্থিত থেকেছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন থেকে আত্মপলোব্ধি সব কিছুতেই পাশে থেকেছেন বৈশাখী দেবী। প্রতি ঘটনাতেই একপ্রকার প্রত্যক্ষ্য বা পরোক্ষ সংঘাত বেঁধেছে শোভন-জায়া রত্না দেবীর সঙ্গেও।
একাধিক ঘটনায় ব্যাক্তিগত সম্পর্ক বাইরে এসেছে বারবার। তবু নিজেদের সম্পর্কে অটল ছিলেন বৈশাখী দেবী। এবার সেই সম্পর্ককেই আরও একাধাপ এগিয়ে দিচ্ছেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বুধবার ভোররাতে আচমকাই বদলে যায় বৈশাখী দেবীর ফেসবুক প্রোফাইলের নাম। হয়ে যায় ‘বৈশাখী শোভন ব্যানার্জি’।
সব অধিকার দিয়েছেন শোভন, এই প্রসঙ্গে বৈশাখী ব্যানার্জী নিজে জানিয়েছেন, “শোভন এখন ফেসবুকে থাকেন না। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অনেকটা দূরেই থাকেন। তাই আজ থেকে আমার এই ফেসবুক অ্যাকাউন্টটাকে আমার আর ওর দুজনের অ্যাকাউন্ট করে দিলাম।’
সঙ্গে তিনি যোগ করেন ” ও আমাকে সব অধিকার দিয়েছে। সেই অধিকারে করলাম। ওর পদবিটা রত্না চট্টোপাধ্যায় ব্যবহার করুন, আমার কিছু আপত্তি নেই। সেটা ভালোবেসে ব্যবহার করুন বা দাগ ঢাকতে ব্যবহার করুন, আমার কোনও আপত্তি নেই। আমি ব্যানার্জি পদবিটা জন্মগত অধিকারে ব্যবহার করি। কিন্তু শোভন নামটা ব্যানার্জি আর বৈশাখীর মধ্যে নিয়ে এলাম।” যদিও অনেকেই বৈশাখীর এই নাম বদলকে খবরে থাকার চেষ্টা বলেই কটাক্ষ করেছেন। তবে সেসব কে আপাতত গায়ে মাখছেন না বাংলা রাজনীতির রোমিও জুলিয়েট।



