নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার হই হট্টগোলের মধ্যে পাশ হল তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল। কেন কেন্দ্র সরকার এই বিলে প্রত্যহার করতে চাইছে সবিষয়ে আলোচনা চেয়েছিলেন বিরোধীরা। সেই আলোচনা ছাড়াই মাত্র আট মিনিটের মধ্যে বিল পাশ করানো হল। “আসলে আলোচনা করলে দুর্গন্ধ বেরোবে”, কটাক্ষ সর্বভারতীয় কিষাণ সভা তথা সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অন্যতম নেতা হান্নান মোল্লার।
আরও পড়ুনঃ হট্টগোলের মাঝেও কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ, আপাতত স্থগিত অধিবেশন
এদিন তিনি বলেন, “আলোচনা করলে দুর্গন্ধ বের হত। সরকার এক বছর ধরে যে কার্যকলাপ চালিয়ে এসেছে তা নিয়ে আলোচনা হত। সরকারের মন্ত্রীরা বিভিন্ন মন্তব্য পেশ করলে তা নিয়ে সমালোচনা হত। আসলে সরকার জবরদস্তি করে বিল পাশ করিয়েছিল। তাই এখন আলোচনা ছাড়াই বিল পাশ করাতে চাইছে। এই সরকার গণতন্ত্রকে মানতে চায় না”।

সোমবার ১১ নাগাদ লোকসভার অধিবেশনের শুরুতেই হই হট্টগোল জুড়ে দেন সাংসদরা। তখনই লোকসভার অধিবেশন স্থগিত রাখতে বাধ্য হন স্পিকার ওমর বিড়লা। এরপর বেলা ১২ টা নাগাদ শুরু হয় লোকসভার অধিবেশন। ১২ টা ০২ মিনিটে কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করেন কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার। ১২ টা ১০ এর মধ্যে ধ্বনি ভোটে লোকসভায় পাশ হয় সেই বল।
আলোচনা করলে দুর্গন্ধ বেরোবে, সরকার গণতন্ত্র মানে না

সরকার কেন সেই বিল পাশ করাতে চাইছে তা নিয়ে আলোচনা চেয়েছিল বিরোধী সাংসদরা। সরব হন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। এরপরেই বিরোধীরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। যদিও এমএসপি সহ কৃষকদের একাধিক দাবী নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে স্পিকার ওম বিড়লা।
শুরুতেই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবীতে গান্ধী মুর্তির পাদদেশে প্রতিবাদে সুর চড়ান কংগ্রেস সাংসদরা। উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও। একই ইস্যুতে আলাদা করে প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল সাংসদরাও। সব মিলিয়ে অধিবেশন শুরুর দিনেই কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে সংসদে গরমাগরম পরিস্থিতি।








