নজরবন্দি ব্যুরোঃ মানুষের জন্যে কাজ করবেন, তৃণমূলে ফিরে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে চান প্রাক্তন মন্ত্রী।নির্বাচনের সময় ‘গোপনে’ তিনি তৃণমূলের হয়েই কাজ করেছিলেন বলে দাবি করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমান বিজেপি নেতা বাচ্চু হাঁসদা। সোনালী গুহ, অমল আচার্য, সরলা মুর্মুর পর এ বার তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন তিনি। রাজ্যে বিজেপি হাওয়াতে উড়ে অনেক তৃণমূল নেতা কর্মী যোগ দিয়েছিলেন পদ্ম শিবিরে। কিন্তু ক্ষমতার হারতবদল হয়নি।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রের নয়া নীতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হোয়াটস্যাপ।


বিপুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। তাই দলবদলু নেতা কর্মীরা এবার উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে চাইছেন তৃণমূলের হাত ধরে। বাচ্চু বলেন, ‘‘আমায় তখন দলে নিলে সক্রিয়ভাবে প্রচার করতে পারতাম। তপন, গঙ্গারামপুর ও বালুরঘাট আসনটি তাহলে জিতিয়ে দিতে পারতাম। গোপনে যেটুকু সাহায্য করেছি। তাতেই অনেক ভাল ফল হয়েছে। এখন যদি দল আমায় ফিরিয়ে নেয় তা হলে পুরোদমে কাজ করতে পারব।’’
বাচ্চুর এমন বক্তব্য শুনে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, বাচ্চুর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি দায়িত্বে থাকার সময় লোকসভা নির্বাচনে তার বিধানসভাতে ২৩ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় দল। হাত থেকে বেরিয়ে যায় লোকসভা আসনটি। পরে ‘মানুষের সেবা করতে’ দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। পরে বাচ্চুর বদলে কল্পনা কিস্কুকে ভোটে দাঁড় করিয়ে মাত্র ৪২০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল।
মানুষের জন্যে কাজ করবেন, তৃণমূলে ফিরে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে চান প্রাক্তন মন্ত্রী। কিন্তু এলাকার তৃণমূল কর্মীদের দাবি বাচ্চু ছাড়াই ১৯ হাজার ভোটের ব্যাবধান কমানো গেছে। এতেই পরিস্কার বাচ্চুর গ্রহণযোগ্যতা একেবারেই নেই। তাই তাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হলে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেবে।


এদিকে সৌগত রায় জানিয়ে দিয়েছেন দলবদলু নেতাদের কর্মকাণ্ড কমপক্ষে ৬ মাস পর্যবেক্ষন করবে দল। তারপরেই তাঁদের দলে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে ভাবা হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌগতর কথায়, ‘দলের দুর্দিনে না থেকে যারা নিজেদের আখের গোছাতে বিজেপিতে গিয়েছিলেন, তাদের দলে নেওয়া হবে না।’







