নজরবন্দি ব্যুরোঃ মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি থেকে আগেই বরখাস্ত করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ইন্টারভিউতে না গিয়েই চাকরি পেয়েছিলেন তিনি। আর শিলিগুড়ির কোর্ট মোড়ের বাসিন্দা ববিতা সরকারকে বঞ্চনা করেই চাকরি পেয়েছিলেন অঙ্কিতা। এখন হাইকোর্টের নির্দেশে অঙ্কিতার জায়গায় ববিতা সরকারকে চাকরি দিয়েছে রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশে অঙ্কিতার বেতনের টাকাও ঢুকছে ববিতার অ্যাকাউন্টে। আজ তিনি পেলেন দ্বিতীয় কিস্তির টাকা।
আরও পড়ুনঃ পার্থ-কেষ্টর গ্রেফতারি নিয়ে এবার অধীরের নিশানায় অভিষেক! বিস্ফোরক কং সভাপতি



রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে অঙ্কিতার জন্য প্রায় পাঁচ বছর ন্যায্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন ববিতা। হাইকোর্ট মন্ত্রীকন্যাকে নির্দেশ দিয়েছিল প্রাপ্ত বেতনের টাকা সুদ সমেত ফেরত দিতে হবে। ২ কিস্তিতে মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীকে বেতনের টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।সেইমত কিছুদিন আগে প্রথম কিস্তির ১ হাজার ৮৭ টাকা সুদ-সহ মোট ৭ লক্ষ ৯৮ হাজার ২৯৯ টাকা আগেই পেয়েছেন ববিতা। এবার পেলেন দ্বিতীয় কিস্তির টাকা।

দ্বিতীয় কিস্তির ৭ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪৯৯ টাকার চেক আজ হাতে পেলেন ববিতা। টাকা পেয়ে ববিতা বলেছেন, অঙ্কিতার জন্যে তাঁর খারাপ লাগছে। তাঁর কথায়, ‘‘এত দিন কাজ করার পর তার পারিশ্রমিক ফেরত দিতে হয়েছে অঙ্কিতাকে। ওর জন্য খারাপ লাগছে।’’ এরপরেই ববিতার সংযোজন, ‘‘খারাপ লাগছে তো ঠিকই। তবে ও অবৈধ ভাবে চাকরি পেয়েছিল। তার আইনি বিচার পেয়ে খারাপ লাগাটা পূরণ হয়ে গিয়েছে।’’


পরেশের মেয়ের ফেরানো টাকা পেলেন ববিতা, বললেন অঙ্কিতার জন্যে খারাপ লাগছে!

২০১৬ সালে SLST-র মাধ্যমে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগ করে SSC। সে বছর শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসেছিলেন শিলিগুড়ির মেয়ে ববিতা সরকার। ওয়েটিং লিস্টে প্রথম ২০-তেই নাম ছিল তাঁর। এরপর দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা নয়, সেই তালিকায় একেবারেই শীর্ষে ছিল মন্ত্রীর পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার নাম। আর ববিতা চলে যান ওয়েটিং লিস্টের ২১ নম্বরে। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন ববিতা। সেই মামলায় মন্ত্রী-কন্য়াকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ও বেতন ফেরতের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।







