নজরবন্দি ব্যুরোঃ SFI এর মিছিলে হামলা, আহত একাধিক পড়ুয়া। জানা গিয়েছে গতকাল অর্থাৎ রবিবার স্কুল খোলার দাবী এবং বিশ্বভারতীর তিন পড়ুয়াকে বহিষ্কার করার প্রতিবাদে এসএফআই দক্ষিন ২৪ পরগনার পক্ষ থেকে সোনারপুর স্টেশন থেকে হরিনাভি অবধি মিছিলে হামলা করা হয়। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের উপর।
আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুর! দল চাইলে মমতার বিরুদ্ধে লড়তে রাজি শুভেন্দু


এদিন সোনারপুর থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কিছু সময় পরেই মিছিলের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা, ছাত্রদের মারধর করা হয়, অকথ্য গালিগালাজ করা হয়, মারধর থেকে রেহাই পায় না ছাত্রীরাও। এবং এই ঘটনার সময় ওই স্থানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়িকা লাভ্লি মৈত্র। এমনটাই জানা গিয়েছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে।
SFI এর মিছিলে হামলা, আহত অনেকে।

এ বিষয়ে আক্রান্ত এসএফআই দক্ষিন ২৪ পরগনার সম্পাদক অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী জানায়,”দেড় বছর স্কুল-কলেজ বন্ধ রয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের একটা বড় অংশ পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গিয়েছে। জেলার একটা অংশ সুন্দরবনের মধ্যে পড়ে, সেখানকার ছাত্র-ছাত্রীরা বেশী শিক্ষার আঙিনা থেকে সরছে।
শুধু তাই নয় গোটা রাজ্য জুড়েই চিত্রটা একই। সেই বিষয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই সরকারের। অথচ উপনির্বাচন ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে ভবানীপুর ছেয়ে গেল মমতা ব্যানার্জির স্বপক্ষে। দেড় বছর গড়ালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললো না। তাই আমরা ছাত্ররা আজ রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু এই ছাত্র বিরোধী তৃণমূল দল পড়ুয়াদের উপর হামলা চালাচ্ছে”। এর প্রতিবাদে এসএফআই রাজ্য কমিটি ৬ ও ৭ই সেপ্টেম্বর রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে।



SFI এর মিছিলে হামলা, আহত একাধিক পড়ুয়া। শিক্ষক দিবসে ছাত্রদের উপর হামলার এই ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়েছে শিক্ষক মহল। তাঁদের একাংশের দাবী, পড়ুয়ারা এই অবস্থায় একেবারেই পড়াশোনার মানসিকতা হারিয়েছে। কাজেই এতদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলায় পরবর্তীকালে তাঁদের আবার শিক্ষার আলোয় আনা যাবে কিনা তাতে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।







