নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিহত ছাত্রনেতা আনিস খানের খুড়তুতো ভাইয়ের উপর হামলার অভিযোগ। হাওড়ার আমতার সারদা গ্রামে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হন তিনি। অভিযোগ, ভোজালি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় তাঁকে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই আনিসের ভাই সলমন খানের উপর হামলা চালায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভরতি যুবক।
আরও পড়ুনঃ নবান্ন অভিযানে বিজেপি, মেদিনীপুর সফরে মমতা, জমজমাট ১৩


সেখানেই চলছে তাঁর চিকিৎসা।আগেও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল সলমনকে। এ নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালেও পুলিশের তরফ থেকে কোনও সহযোগিতা করা হয়নি। এমনটাই দাবি করলেন আনিস খানের আক্রান্ত ভাই সলমনের স্ত্রী। তিনি জানান, আনিসের মৃত্যুর পর থেকেই সলমনকে হুমকি দেওয়া শুরু হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘‘আনিসকে মেরে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর পর যাকে মারা হবে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।’’ রাস্তাঘাটে দেখা হলেই হুমকি দেওয়া হত বলে দাবি সলমনের স্ত্রীর।শুক্রবার বেশি রাতে বাড়িতে ঢুকে সলমনের উপর হামলা করে একদল দুষ্কৃতী। তখনই তাঁর ওপর অতর্কিতে আক্রমণ করা হয় বলে অভিযোগ। মাথার পিছন দিক থেকে ধারাল অস্ত্রের কোপ মারা হয়। তার জেরে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন সলমন খান।



তাঁর স্ত্রী চিৎকার শুনে ছুটে আসেন। আর সবাইকে ডাকাডাকি করে সলমনকে আক্রান্ত অবস্থায় বাগনান হাসপাতালে নিয়ে যান।এই ঘটনা নিয়ে হাসপাতালে শুয়ে সলমন বলেন, ‘‘আমার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। স্ত্রী তখনই সেখানে পৌঁছন। স্ত্রী না থাকলে আমাকে খুন করে পালাত।’’

এই অবস্থায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় আনিস খানের। আনিসের মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি খুন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আঙুল ওঠে পুলিশের দিকেও।
নিহত ছাত্রনেতা আনিস খানের ভাইয়ের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, আশঙ্কাজন অবস্থায় ভর্তি হাসপাতালে
রাজ্য সরকারের তরফে সিট গঠন করে তদন্ত শুরু করা হলেও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। সেই নিয়ে জট কাটতে না কাটতেই এবার আক্রান্ত আনিসের ভাই সলমন।







