নজরবন্দি ব্যুরোঃ রামপুরহাট ঘটনায় তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপরেই বিস্ফোরক দাবী করলেন বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। আনারুলকে সরানোর পরিকল্পনা ছিল অনুব্রতর! তিনি জানিয়েছেন, তিনি প্রথমে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন আনারুলকে। কিন্তু আনারুলকে রাখার বিষয়ে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, এবার রাজপথে কংগ্রেস


বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতির কথায়, আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন অবধি আনারুল হোসেনকে রাখার জন্য অনুরোধ করেছিলেন আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। এমনকি তাঁর দায়িত্ব নেন তিনি। তবে কী নির্বাচনের কারণে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল আনারুলকে। যদিও বিষয়টি দলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন কেষ্ট।
তবে আনারুলের উপস্থিতিতে এই ধরনের ঘটনার সম্ভাবনার আঁচ আগেই পেয়েছিলেন অনুব্রত। এবিষয়ে সহমত হয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, রামপুরহাট বিধানসভার চেয়ারম্যান ছিলেন আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অনুরোধের কারণেই দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।



বিধায়ক আশীষ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চিঠিটা ১০.০৬.২০২১-এর। বিধানসভা নির্বাচনে মে মাসে ফল ঘোষণা হয়। এই চিঠি আলাদা জায়গা থেকে আসেনি। আমার লেটারহেডেও দেয়নি। সাদা কাগজে লিখে দিয়েছিলাম। তখন অনুরোধ করেছিলাম যেন কোনও ব্লক সভাপতি পদ থেকে কাউকে না সরানো হয়। তখন আনারুল হোসেনও ব্লক সভাপতি ছিলেন। এটা সভাতে সকলের সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আলাদা করে কোথাও কিছু বলা হয়নি। তখন লিখিত দিতে বলা হয়েছিল বলেই দিয়েছিলাম।
আনারুলকে সরানোর পরিকল্পনা ছিল অনুব্রতর, আশীষের মুচলেকায় সিদ্ধান্ত বদল

উল্লেখ্য, বগটুইয়ের নৃশংস হত্যার ঘটনায় বারবার অভিযোগ উঠেছে রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের সভাপতি আনারুল হোসেনের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর তারাপীঠের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। এখন সিবিআইয়ের হেফাজতে রয়েছে আনারুল। ঘটনায় তার ভূমিকা ছিল? ঘটনার সময় সে কোথায় ছিল? একইসঙ্গে ওই সমস্য তাঁর ফোনে কাদের ফোন এসেছিল সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।







