নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপি-র ‘বি’ টিম নই, আব্বাসের নেতৃত্বে বাংলায় লড়ব! ফুরফুরা থেকে ঘোষণা করলেন আসাউদ্দিন ওয়াইসি। ফুরফুরা শরিফে এসে মিম প্রধান আসাউদ্দিন ওয়াইসি জানিয়েদেন, “বাংলায় আব্বাস সিদ্দিকির নেতৃত্বেই এগিয়ে যাব আমরা। ওঁর পাশে থাকব আমরা। উনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাকেই সমর্থন করব।” আগেই মিম প্রধান জানিয়ে দিয়েছিলেন বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে এবার প্রার্থী দেবেন তিনি। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জলঘোলা কম হয়নি। রাজ্যের অবিজেপি দলগুলি একযোগে সোচ্চার হয়েছিল বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই বাংলার ভোটের ময়দানে নামছে মিম।
আরও পড়ুনঃ বিহার মডেলেই বাংলা দখলের ছক বিজেপির? আব্বাসের সাথে বৈঠকে ওয়েইসি।


আসাউদ্দিনের আগমন নিয়ে চিন্তিত নয় তৃণমূল, একথা জানিয়ে সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘‘আসাদউদ্দিন তো আগেই বাংলায় আসবেন বলে জানিয়েছিলেন। আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে এই বৈঠক নতুন ব্যাপার। ওয়াইসি বুঝতে পেরেছেন, বাংলায় তাঁর কোনও প্রভাব পড়বে না। কারণ বাংলায় উর্দুভাষী মুসলমানের সংখ্যা কম। তাই ফুরফুরায় আব্বাস সিদ্দিকির আত্মীয়দের কাছে গিয়েছেন।’’
প্রসঙ্গত, বঙ্গের রাজনীতিতে ৩৩ শতাংশ মুসলিম ভোট বড় ফ্যাক্টর। অন্তর ৬০টি আসন মুসলিম অধ্যুসিত। সেই আসনগুলিতে খাতা খোলার কার্যত সম্ভাবনাই নেই গেরুয়া ব্রিগেডের। সম্প্রতি বিজেপি-র আভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও এই আশঙ্কা উঠে এসেছে। তাই রাজনৈতিক মহলের ধারনা ৬০টা মুসলিম অধ্যুসিত আসনে ভোট বিভাজনের রাজনীতি না করতে পারলে ক্ষমতায় আসা কার্যত অসম্ভব হয়ে যাবে বিজেপির। সে কারনেই ওয়েইসি কে আসরে নামিয়েছে বিজেপি।
বিজেপি-র ‘বি’ টিম নই, বিজেপি-র বি টিম হয়ে কাজ করার কথা উড়িয়ে দেন মিম প্রধান। ‘‘সংখ্যালঘুদের নিয়ে যদি এতই চিন্তা, তাহলে গুজরাত যখন জ্বলছিল, কোথায় ছিলেন মমতা? উনি নিজেই তো বিজেপি-কে আটকাতে পারছেন না। এত লোক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যাচ্ছেন, তাঁদের আটকাতে পারছেন না কেন? আসলে বিজেপি-র হাত শক্ত করেছে তৃণমূলই। গত লোকসভা নির্বাচনে তো বাংলায় লড়েনি মিম। তা সত্ত্বেও বিজেপি ১৮টা আসন পেল কী ভাবে?’’


এদিন আসাউদ্দিন ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা আব্বাস, পীরজাদা নৌশাদ সিদ্দিকি, পীরজাদা বইজিদ আমিন এবং সাবির গফ্ফর-সহ সংখ্যালঘু নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন।







