SSC Scam: ট্রান্সফার পোস্টিং, শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে এই টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল! দাবি অর্পিতার

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকাল থেকেই দফায় দফায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় তদন্তে কোনরকম সহযোগীতা না করলেও ভালরকম সঙ্গ দিচ্ছেন অর্পিতা। তিনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন যা স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুর্নীতির মূল চাবি হয়ে উঠতে চলেছে। তাঁর কথার সূত্র ধরেই এদিন দুপুর ১২ টা নাগাত ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়ে বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমানে টাকা।

আরও পড়ুনঃ উদ্ধার কমপক্ষে ৪০ কোটি, টাকা গুনছে স্টেট ব্যাঙ্কের ৯ টি ক্যাস কাউন্টিং মেশিন।

বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে বিপুল পরিমানে টাকা মিলেছে। যে টাকা সাধারন মেশিনে গোনা সম্ভব নয়। ৪০ কোটি টাকা থাকতে পারে বলে আন্দাজ করা হচ্ছে। মোট ৯ টি টাকা গোনার মেশিন দিয়ে টাকা গোনা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪ টি জাম্বো মেশিন ও ৫ টি ছোটো মেশিন। জাম্বো মেশিনে প্রতি ৩ সেকেন্ডে ১০০ টি করে টাকার নোট গোনা যায়। উপস্থিত রয়েছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কর্মীরা।

ট্রান্সফার পোস্টিং, শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে ঘুষ নেওয়া হয়েছিল! বিস্ফোরক দাবি অর্পিতার
ট্রান্সফার পোস্টিং, শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে এই টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল

এরআগে টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ নগত, ৭৩ লক্ষ টাকাত গয়না উদ্ধার করেছিল ইডি। সব মিলিয়ে সন্দেহের তীর বিদ্ধ করছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেই। পার্থ বাবুর বাড়ি থেকেও মিলেছে অর্পিতার সাথে লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ নথি। অর্পিতার ফ্ল্যাট থকেও উদ্ধার হয়েছে শিক্ষা দফতরের নাম লেখা একটি ডাইরি। আন্দাজ করা হচ্ছে কমপক্ষে ১২০ কোটি টাকার স্ক্যাম হয়েছে। কিন্তু এই টাকা কার? প্রশ্নের উতরে অর্পিতা সোজাসুজি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন ইডির কাছে।

money

অর্পিতা জানিয়েছেন যে একজন বাঙালি অভিনেতা তাকে ২০১৬ সালে পার্থ চ্যাটার্জির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং এরপর থেকে দুজনেই একে অপরের কাছাকাছি আসেন। জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতা স্বীকার করেছেন যে শিক্ষক নিয়োগ, ট্রান্সফার পোস্টিং এবং কলেজে স্বীকৃতি পাওয়ার পরিবর্তে এই ঘুষ নেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন যে তার বাড়িটি “মিনি ব্যাংক” হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

ট্রান্সফার পোস্টিং, শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে এই টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল! বলছেন অর্পিতা

partha 31

অর্পিতা ইডিকে জানিয়েছেন যে এই পুরো টাকা তার বাড়ির একটি ঘরে রাখা হয়েছিল। সেই ঘরে শুধুমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তার লোকদেরই প্রবেশের অনুমতি ছিল। অর্পিতা জানিয়ছেন প্রতি সপ্তাহে অথবা প্রতি ১০ দিনে একবার, পার্থ চ্যাটার্জি তার বাড়িতে আসতেন। তিনি ছাড়াও পার্থ চ্যাটার্জি আরও একজন মহিলার বাড়িকে “মিনি ব্যাংক” হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন। অর্পিতা ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন যে পার্থ তাকে বলেননি যে ঘরে কত টাকা রাখা হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন