নজরবন্দি ব্যুরো: ব্রাত্য যখন আশার আলো, প্রাথমিকে নিয়োগের কাতর আবেদন নয়া শিক্ষামন্ত্রীকে। মমতা সরকার রাজ্যের তৃতীয় বারের জন্য নবান্নে গেলেও জনগণের প্রধান ক্ষোভ ছিল চাকরি না দেওয়া। বিগত ১০ বছরে রাজ্যে রাস্তা ঘাট থেকে বাকি একাধিক ব্যবস্থা উন্নত হলেও, স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ হয়নি তেমনভাবে। বলা চলে নিয়োগ বন্ধ আছে গত কয়েক বছর ধরে। চাকরিপ্রার্থীরা কার্যত ভেঙে পড়েছেন নিয়োগ না হওয়ায়। আন্দোলন, আবেদন সব করলেও ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি।
আরও পড়ুনঃ অমিত শাহকে চিঠি লিখে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়লেন লকেট চট্টোপাধ্যায়!
ফর্ম ফিলাপের বহু বছর পরীক্ষা এবং তার ফল প্রকাশ হলেও নিজেদের স্বপ্ন পূরণের চাকরিতে যোগ দেওয়া হয়ে ওঠেনি হাজার হাজার চাকরি প্রার্থীর। এই নিয়ে আগেও একাধিকবার তাঁরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। নির্বাচন আসে, তার আগে প্রতিশ্রুতি আসে। কিন্তু সব মিটে গেলেই আবার বেকার থেকে যান রাজ্যের হাজার হাজার যুবক যুবতী। ২০১৭ সালে প্রাইমারি টেটের ফ্রম ফিলাপ করেছিলেন হাজার হাজার ছেলে মেয়ে। তার পর পরীক্ষা হয়েছে ৪ বছর পেরিয়ে ২০২১এ।
আরও পড়ুনঃ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে তৃণমূলের দুয়ারে ৮ বিজেপি বিধায়ক, ৫ সাংসদ!
তবে এখনো পর্যন্ত চাকরি তে যোগ দেওয়া হয়ে ওঠেনি। ব্রাত্য যখন আশার আলো, রাজ্যে তখন নতুন মন্ত্রী সভায় বদল হয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর। নয়া শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন ব্রাত্য বসু। তাতেই কিছুটা আশার আলো দেখছেন চাকরি প্রার্থীরা। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছে প্রাথমিক ২০১৭ টেট প্রার্থী মঞ্চ। প্রাথমিকে নিয়োগের কাতর আবেদন নয়া শিক্ষামন্ত্রীকে।
উল্লেখ্য, একই দিনে ২০১৪ প্রাইমারী নট ইনক্লুডেড চাকরিপ্রার্থী মঞ্চের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী কে। তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার জন্য মঞ্চের তরফ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা হয় “আমরা বেশ কয়েক হাজার টেট পাস প্রশিক্ষিত যোগ্য প্রার্থী ইন্টারভিউ দিয়েও ইনক্লুডেড হতে পারিনি। মেরিট লিস্ট এ স্থান না পেয়ে আমরা চরম হতাশাই দিন কাটাচ্ছি। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগের বয়স প্রায় শেষের দিকে। আমরা মানসিক ভাবে খুবই হতাশ ও বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছি।আপনি আমাদের দিকে তাকিয়েছেন আমরা বাঁচার আলো দেখতে পেয়েছি।”



