নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তৎপর হয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু সতীর্থ শিবঠাকুরের করা মামলা কেষ্টর দিল্লি যাত্রার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কেষ্টর হাতে রয়েছে ৭ দিন। ৭ দিন পর অনুব্রতর ভবিষ্যত কী হবে? দিল্লি যাত্রা রুখতে হাইকোর্টে কেষ্ট। ইডির হাত থেকে বাঁচতে এবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন কেষ্টর আইনজীবীরা। আজই দিল্লি হাইকোর্টে মামলার শুনানি রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ TET: বাম আমলের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন, অনশন মঞ্চে অসুস্থ এক চাকরি প্রার্থী
গত সোমবার অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। কিন্তু পুরাতন একটি ঘটনায় হঠাৎ অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাই কেষ্টকে ৭ দিনের হেফাজতে নিয়েছে আদালত। ইডিকে পাল্টা চালে বাজিমাত করতে কেষ্টর তুরুপের তাস শিবঠাকুর।

কেষ্টর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জোর করে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে তাঁকে সরিয়ে দেন অনুব্রত। কিন্তু ৬ মাস পরে ফের পঞ্চায়েত প্রধান হন তিনি। শিবের কথায়, দল ছাড়ার কথা অনুব্রতর কানে পৌঁছতেই তাঁকে দুবরাজপুর পার্টি অফিসে ডেকে পাঠানো হয়। দলে সম্মান না পেয়ে দল ছাড়ার কথা বলতেই অনুব্রত তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাহলে এত দিন পর অভিযোগ কেন? শিবঠাকুরের বক্তব্য, অনুব্রত বাইরে থাকলে এই সাহস হত না। এখন জেলে রয়েছে বলেই তাঁর বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। অভিযোগ করার পরেও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছেন শিবঠাকুর।
কিন্তু দিল্লি হাইকোর্টে উপস্থিত হলে কী রেহাই পাবেন কেষ্ট? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেক্ষেত্রে আইনি টানাপোড়েন শুরু হলে আরও কিছুটা সময় দিতে পারে আদালত। অথবা নিম্ন আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে আরও কিছু দিন নিজভূমেই কাটাতে পারেন জেলবন্দি কেষ্ট। যদিও কেষ্টর বিষয়ে বিশেষ কিছু একটা বলতে নারাজ বিরোধীরা আপাতত আদালতের ওপরেই বিষয়টি ছেড়ে দিচ্ছেন তাঁরা।
দিল্লি যাত্রা রুখতে হাইকোর্টে কেষ্ট, নিম্ন আদালতের মামলাকে চ্যালেঞ্জ

একইসঙ্গে বিরোধীদের বক্তব্য, যে মামলা কেষ্টর বিরুদ্ধে করা হয়েছে, তা হাস্যকর। এত দিন ধরে ইডি ও সিবিআইয়ের করা মামলায় কেষ্ট জামিনের জন্য আবেদন জানাতে বিরাট তৎপরতা দেখিয়েছিলেন। এখন কেন জামিনের জন্য আবেদন জানালেন না?



