নজরবন্দি ব্যুরো: গরু পাচার মামলায় স্বস্তিতে বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল। আদালতে খারিজ হয়ে গেল ইডির আবেদন। যার ফলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নতুন করে অনুব্রতকে হেফাজত নিতে পারবে না। দিল্লি হাইকোর্ট এবং রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে জোড়া ধাক্কা খায় তদন্তকারী আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন: গতবারেও তাঁর কাঁধে ছিল গুরুদায়িত্ব, সেই পার্থকে ছাড়াই প্রথম ২১ জুলাই তৃণমূলের
সম্প্রতি অনুব্রত মণ্ডলের নামে বেনামী সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি। এরপরই ৫০ নম্বর ধারার উল্লেখ করে তাঁকে নতুন করে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর বিরোধিতা করে অনুব্রতর আইনজীবী পাল্টা বলেন, “উক্ত আইনে তাদেরই হেফাজতে নেওয়া যায় যারা পুলিশ বা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে নেই। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগ করা যায় না।” সওয়াল-জবাব শেষে বিচারপতি ইডির আবেদন খারিজ করে জানায়, নতুন করে ফের অনুব্রত মণ্ডলের বয়ান রেকর্ড করতে পারবে না তদন্তকারী সংস্থা।

গত বছর আগস্ট মাসে বীরভূমে নিজের বাড়ি থেকেই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তদন্তের স্বার্থে ইডির আবেদন মঞ্জুর হলে তাঁকে দিল্লি নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে কেন্দ্রীয় জেল তিহাড়ে বন্দী অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। তল্লাশি চালিয়ে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কেন্দ্রীয় দুই গোয়েন্দা সংস্থা ইডি ও সিবিআই আদালতে দাবি করেছে, মেয়ে ও প্রয়াত স্ত্রীয়ের নামে প্রচুর সম্পত্তি কিনেছেন অনুব্রত মণ্ডল। এছাড়াও তাঁর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন এবং হিসেবরক্ষক মণীষ কোঠারিও জেলবন্দী।

উল্লেখ্য, আজ ২১ জুলাই, অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে তৃণমূলের প্রথম শহীদ দিবস। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ ধর্মতলায় জড়ো হয়েছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর তৃণমূলের প্রথম বৃহৎ সমাবেশ। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন এই দিনে ‘শ্রদ্ধা দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে।
গরু পাচার মামলায় স্বস্তিতে Anubrata Mandal, আদালতে বড় ধাক্কা ED-র




