নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরুপাচার কাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন। পরে সিবিআই জানতে পারে অনুব্রত কন্যা সুকন্যার নামে রয়েছে অগাধ সম্পত্তি। একাধিক সম্পত্তির মালিক সুকন্যা। শুধু তাই নয় টেট না পাশ করেই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতাও করেন তিনি, তবে স্কুলে যেতে হয়না।
আরও পড়ুনঃ টেন্ডার পাইয়ে দিতে চেয়েছিলেন ১০ কোটি টাকা, অনুব্রতর পর্দাফাঁস


স্কুলের রেজিস্টার্ড খাতা চলে আসে বাড়িতেই! সুকন্যার নামে একাধিক সম্পত্তির মধ্যে আজ বোলপুরে ভোলে ব্যোম রাইস মিলে হানা দেয় সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে দাবি, রাইস মিলে অনুব্রতর মেয়ে, স্ত্রী-র অংশীদারিত্ব রয়েছে। এমনকী সেখানে প্রায়ই মিলে আসতেন কেষ্ট-কন্যা। শুক্রবার প্রথমে ঢুকতে না পারলেও পরে মিলে প্রবেশ করে সিবিআই।

ভোলে ব্যোম রাইস মিলে ৫টি গাড়ি(SUV) মিলেছে। তার মধ্যে একটি গাড়িতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্টিকার লাগানো। অনুব্রতকে গ্রেফতারির পরই প্রকাশ্যে আসে তাঁর একাধিক সম্পত্তি। তার মধ্যে ছিল তিন থেকে চারটি রাইসমিল। যার একটি ভোলে ব্যোম রাইস মিল।



অনুব্রতকে গ্রেফতারের পর থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির মেয়ের সংস্থা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি, তদন্ত চলাকালীন অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের নামে দু’টি সংস্থার হদিশ পেয়েছেন যেখানে অন্যতম অংশীদার হিসাবে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। সূত্রের খবর, সুকন্যার নামে থাকা একটি অ্যাগ্রো কেমিক্যাল সংস্থার ২৫ শতাংশ অংশীদার অনুব্রত, ৭৫ শতাংশ সুকন্যার।
অনুব্রতর রাইস মিলে কোটি কোটি টাকা, ‘ভোলে ব্যোম’ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ।

প্রসঙ্গত, গোরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রতর বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। তাঁর বাড়ি থেকে প্রাপ্ত নথি থেকে জানা গিয়েছিল বিপুল সম্পত্তির মালিক অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। আজ যখন সিবিআই হানা দেয় একটি রাই মিলে। বিষয়টি সম্পর্কে হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রাইস মিলে চালের মধ্যে হয়তো কোটি কোটি টাকা রয়েছে। জনগণের টাকা লুঠ করা হয়েছে। এটা খুব লজ্জার।”







