নজরবন্দি ব্যুরোঃ একটু দেরি করেই বাইকে ভোট দিতে গেলেন বাপ-বেটি, অনুব্রত-সুকন্যা। এতক্ষন পর্যন্ত বাড়ির দোতালা থেকে গোটা বীরভূম দেখছিলেন ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত! গতকালের ঘটনার পর সকলের চিন্তা ছিলোই, গতকাল কমিশনকে চরকি কাটানোর পর আজ আবার কী করবেন তিনি, তবে অনুব্রত জানিয়েছিলেন সকাল সকাল ভোট দিয়ে পার্টি অফিসেই থাকবেন। যদিও সূত্রের খবর এখনো ভোট দেননি কেষ্ট দা। অন্য প্রতিবার মেয়ে সুকন্যার সঙ্গে ভোট দিতে যান তিনি।
আরও পড়ুনঃ বাড়ির দোতালা থেকে গোটা বীরভূম দেখছেন ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত!


বীরভূমের জেলার এক নেতার কথায়, সকালে উঠে ট্রেড মিলে হেঁটে, মহাদেবের পূজো করে তৈরি হচ্ছেন তিনি, এবার যাবেন ভোট দিতে। রয়েছেন বাড়ির দোতালায়। সেখান থেকেই গোটা বীরভুমের ওপর নজর রাখছেন তিনি। তার পরই হঠাত দেখা জায় বাড়ির সামনে ডাক্তার এবং নার্স দের, প্রশ্ন ওঠে তবে কী শারীরিক সমস্যা দেখা দিলো কেষ্ট দার।
একটু দেরি করেই বাইকে ভোট দিতে গেলেন বাপ-বেটি, অনুব্রত-সুকন্যা। প্রতিবার সকাল বেলাতেই ভোট দেন কেষ্ট দা। এব্র জানিয়েছিলেন সকাল সকাল ভোট দিয়েই পার্টি অফিসে বসবেন। তাঁর ওপর চলছে নজরদারি। তবে এদিক বেলা পর্যন্ত ঘরেই ছিলেন তিনি। সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ার পর একেবারে নিজের মেজাজে হলুদ পাঞ্জাবি পরে গাড়িতে উঠে বসলেন তিনি। অন্য বাইকে মেয়ে সুকন্যা ও। দলীয় কর্মীদের বাইকে চড়েই বেলা গড়িয়ে বাবা মেয়ে ভোট দিতে গেলেন ভাগবত নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের বুথে।







