নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। এবার দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে একের পর এক ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে চলেছে সিবিআই। গতকাল আরও এক মিডলম্যান প্রসন্ন রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রসন্ন রায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আত্মীয় বলে জানা গেছে। বিদেশে বিপুল সম্পত্তি প্রসন্নর, নিয়োগ দুর্নীতির সেই টাকা রিয়েল এস্টেটে খাটানো হত বলেও জানা গেছে।
আরও পড়ুনঃ Jharkhand: নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিধায়কদের, ঝাড়খণ্ড সরকারের পাশে দাঁড়াবে বাংলা?


তবে সিবিআই সূত্রে খবর, নিউটাউনের একাধিক জায়গায় বিপুল সম্পত্তি মিলেছে প্রসন্ন রায়ের। টুরিস্ট স্পটে প্রসন্নকুমার রায়ের হোটেল, রিসর্ট, গেস্ট হাউস রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। দিঘা, সুন্দরবন, ডুয়ার্সে হোটেল, রিসর্ট রয়েছে তাঁর। এমনকি দেশের বাইরে দুবাইয়ে প্রসন্নর বিরাট সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে সিবিআই।

রঙ মিস্ত্রি থেকে দেশ বিদেশে ব্বিপুল সম্পত্তির মালিক প্রসন্ন কীভাবে এত সম্পত্তি হল? খোঁজ শুরু করেছে সিবিআই। শুধুমাত্র পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভাগ্নী-জামাই হওয়ার সুবাদেই এত প্রতিপত্তি?
এর আগে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রদীপ সিং নামে একজন মিডিল ম্যানকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এরপর শুক্রবার প্রদীপের বয়ানকে সামনে রেখেই প্রসন্নকে গ্রেফতার করা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, বছর চারেক আগে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা খোলেন প্রসন্ন। সল্টলেকে সেই সংস্থার নামই আইডিয়াল কার রেন্টাল সার্ভিসেস। এই অফিসেই নবম-দশম নিয়োগের দুর্নীতি হত বলে অনুমান তদন্তকারী অফিসারদের।


বিদেশে বিপুল সম্পত্তি প্রসন্নর, কীভাবে এত সম্পত্তি?

সূত্রের খবর, প্রসন্নর যে কোম্পানি ছিল, সেই কোম্পানির গাড়ি যেত শান্তিপ্রসাদ সিনহার কাছে। এরমনকি প্রয়োজনে ওই সংস্থার কাছ থেকে গাড়ি চেয়ে পাঠাতেন তিনি। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, প্রসন্ন ও প্রদীপ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করাই ছিল তাঁদের কাজ।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



