নজরবন্দি ব্যুরোঃ মন্ত্রীসভা ভেঙে আজই সরকার বদল হতে পারে।এমন ইঙ্গিতের মাঝে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এবং কংগ্রেস নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিধায়কদের। সূত্র মারফত জানা গেছে বিজেপির সরকার ভাঙার পরিকল্পনা বানচাল করতে বিধায়কদের রিসোর্টে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ Gang Rape: যুবতীকে গণধর্ষণ, বাগদা সিমান্তে গ্রেফতার ২ BSF জাওয়ান
গতকাল বিধায়কদের নিয়ে নিজ বাসভবনে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে রওনা দিয়েছে বিধায়করা। রাজ্যের মধ্যেই বিধায়কদের নিয়ে যাওয়া হতে পারে। আরও একটি জল্পনা, রাজ্যের শাসক শিবিরের পড়শি রাজ্য ছত্তিসগড় অথবা পশ্চিমবঙ্গেও আনা হতে পারে বিধায়কদের।

এর আগে শনিবার বিধায়কদের সঙ্গে তিন দফায় বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক নেতা বলেন, সমস্ত শাসক পক্ষের বিধায়কদের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে। সমস্ত বিধায়করা ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে চলে এসেছে।
সূত্রের খবর, আজই মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে বিধায়ক পদের ‘অযোগ্য’ বলে ঘোষণা করতে চলেছেন রাজ্যপাল রমেশ ব্যাস। নিজের নামে খনি লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে। এনিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের অভিযোগ, মন্ত্রীপদে থাকাকালীন এই কাজ করেছেন হেমন্ত নিজে।সূত্রের খবর, সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজই সিলবন্দী খাম খুলতে চলেছেন রাজ্যপাল।
নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিধায়কদের, সরকার বাঁচাতে কী পদক্ষেপ নেবেন হেমন্ত সোরেন?

এই মুহুর্তে ঝাড়খণ্ডের ৮১ টি বিধানসভার মধ্যে ৪৯ টি শাসক শিবিরের। এর মধ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার রয়েছে ৩০ টি আসন, কংগ্রেসের ১৮ টি এবং আরজেডির আসন সংখ্যা ১ টি। বিজেপির আসন সংখ্যা ২৬। বিধায়ক কেনবেচার সময় হাওড়া থেকে বিধায়কদের হাতেনাতে ধরেছিল রাজ্য পুলিশ। এখন সরকার বাঁচাতে ঝাড়খণ্ডের শাসক পক্ষের পাশে দাঁড়াবে পশ্চিমবঙ্গের সরকার? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।



