বিগত কয়েকদিন ধরেই আড়িয়াদহের গ্যাংস্টার জয়ন্ত সিংহ ও তার দলবলের একের পর এক ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। সম্প্রতি আরো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে তোর সঙ্গে একটি যুবককে ক্লাবের ভেতর নগ্ন করে তার যৌনাঙ্গে সাঁড়াশির চাপ দেওয়া হচ্ছে। যন্ত্রণায় ছটফট করছে যুবক (যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি)। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে তদন্ত করে একজনকে গ্রেফতার করেছে বেলঘড়িয়া থানার পুলিশ। ধৃত ওই যুবকের নাম লাল্টু।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বেলঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা ওই লাল্টু। যা কিনা জয়ন্ত সিংয়ের অনুগামী হিসেবে পরিচিত। তবে লাল্টুর গ্রেফতারির পর এই নিয়ে জয়ন্তর গ্যাংয়ের মোট সাতজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। বর্তমানে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে লাল্টুকে। এবং এই ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। বারবার আড়িয়াদহের ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত রয়েছে এলাকার মানুষ। সূত্রের খবর, এক্ষেত্রেও কোন একটি চুরির ঘটনায় ওই কিশোরকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ক্লাবের ভেতরে। এরপরই অত্যাচার শুরু করে জয়ন্তর শাগরেদরা।

তবে কিভাবে জয়ন্ত সিংহ ও তার দলবল এই নির্মম অত্যাচারের সাহস পায় তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জানা গেছে এই জয়ন্ত সিংহ কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তবে এই ঘটনায় খোদ মদন মিত্র জানিয়েছেন,“এই যে ধরে পেটানোর ঘটনা পুলিশ যে জানে না তেমনটা নয়। পুলিশ সব জানে তারপরেও চুপ রয়েছে। তাই এক্ষেত্রে যারা পেটাচ্ছে তারা ফ্যাক্টর নয়। ফ্যাক্টর হচ্ছে ঠিকাদার” সেই সঙ্গে বলেন, “পুলিশ কি এতদিন পর আজকে এই ভিডিয়ো পেল?”
কিশোরের যৌনাঙ্গে সাঁড়াশির চাপ, গ্রেফতার জয়ন্ত সিংহের আরও এক শাগরেদ

তবে এ বিষয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন,” এইসব অত্যাচারীদের শ্যামবাজারের পাঁচ মাথার মোড়ে প্রকাশ্য দিবালোকে শূলে চড়ানো উচিত। মানুষের ধৈর্য্য নিয়ে খেলছে।” অন্যদিকে এই এভোয়ে দমদমের সাংসদ সৌগত রায়ের কাছে জয়ন্ত সিংহ কে ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে একটি হুমকি ফোনও আসে বলে খবর।



