অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম মিলবে কোথায়? অনলাইন-অফলাইনে আবেদন শুরু, বড় ঘোষণা নবান্নের

অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম বিলি শুরু। অনলাইন ও অফলাইন—দুই পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে, দ্রুত সুবিধা পেতে আগে আবেদন করার বার্তা সরকারের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রাজ্যের নতুন আর্থিক সহায়তা প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হল আজ, বুধবার থেকে। নবান্ন থেকে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নারী, শিশু ও মহিলা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে একসঙ্গে চালু করা হয়েছে অনলাইন ও অফলাইন—দুই ব্যবস্থাই।

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, উপভোক্তারা নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী অনলাইন অথবা অফলাইন—যে কোনও উপায়ে ফর্ম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। এর ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় ভিড় কমবে এবং দ্রুত যাচাইকরণ সম্ভব হবে বলে প্রশাসনের আশা।

ফর্ম কোথায় পাওয়া যাবে?
অফলাইনে আবেদনকারীরা নির্ধারিত সরকারি শিবির, সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং নির্দিষ্ট পরিষেবা কেন্দ্র থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি অনলাইন ব্যবস্থাতেও আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে বাড়ি থেকেই আবেদন করা যায়।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের সুবিধা শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক মহিলাদের জন্য। একই সঙ্গে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে সুবিধা দেওয়া হবে। অর্থাৎ দ্রুত আবেদন করলে দ্রুত সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরে উপভোক্তারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। তবে যাঁদের আবেদন এখনও সম্পূর্ণ হয়নি বা টাকা পাওয়া শুরু হয়নি, তাঁদের জন্যও আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা চালু না হওয়া পর্যন্ত আগের নিয়মে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে অ্যাকাউন্টে জমা হতে থাকবে। ফলে কোনও উপভোক্তা আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

তিনি আরও জানান, যত দ্রুত নাম নথিভুক্ত হবে, তত দ্রুত সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। আবেদন জমা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ধাপে ধাপে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বিএলও-দের দায়িত্ব আরও বাড়ল
সরকার এবার বুথ স্তরের আধিকারিক বা বিএলও-দের ভূমিকা আরও বাড়িয়েছে। শুধু অন্নপূর্ণা ভান্ডারের যাচাইকরণ নয়, বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজও তাঁদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এই দায়িত্বের বড় অংশ পালন করবেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

নবান্নের আশা, এই ব্যবস্থার ফলে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দ্রুত এবং সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছবে। এখন নজর থাকবে—কত দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় এবং উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে আর্থিক সহায়তা পৌঁছতে শুরু করে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

Arka Sana

Arka Sana

Founder & Editor, Najarbandi
16+ Years Experience • Political Reporting • Investigative Journalism • Digital Publishing

অর্ক সানা একজন সাংবাদিক, সম্পাদক, মিডিয়া উদ্যোক্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। অপরাধ সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক রিপোর্টিং, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং ডিজিটাল নিউজ প্রকাশনায় তাঁর ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নজরবন্দি-র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক।

View Full Author Profile →

আরও খবর