মহম্মদ মুইজ্জু মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট হবার পর থেকেই চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে গিয়েছে ভারতের প্রতিবেশী ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের। অপরদিকে ভারতের সঙ্গে মালদ্বীপের সম্পর্ক এই মুহূর্তে তলানিতে। দেড় মাস আগেই মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন মুইজ্জু । আর তারপরেই তিনি গিয়েছিলেন চীন সফরে। ১ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটে দেশের পর্যটন শিল্পের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ভারতের সাথে সম্পর্ক খারাপের মাঝেই, চীনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুইজ্জু
এদিন তিনি লাক্ষাদ্বীপের পর্যটনের উন্নয়নের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে থেকেই লাক্ষাদ্বীপ ইস্যুতে ভারত এবং মালদ্বীপের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। বহু ভারতীয় দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের যাত্রা বাতিল করেছেন। এখনও দুই দেশের বানিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়নি। তার মধ্যেই বাজেটে লাক্ষাদ্বীপের উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে অর্থমন্ত্রী জানান,”৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ে নতুন কর ব্যবস্থায় কোনও কর নেওয়া হবে না। আয়কর জমা দেওয়ার পদ্ধতি আরও সরলীকরণ করা হল। পাশাপাশি তিনি বলেন, “গত বছরে এফডিআই ১০ গুণ বেড়েছে। মেট্রো রেল সম্প্রসারণে সবরকম সহায়তা করা হবে। আগামী ৫ বছরে করদাতাদের সাহায্য করাই আমাদের লক্ষ্য।”

এছাড়া অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “তিন হাজার নতুন আইটিআই হয়েছে। পিএম মুদ্রা যোজনায় ৩৩ কোটি ঋণ দেওয়া হয়েছে। ৭টি নতুন আইআইটি হয়েছে। মহিলাদের উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত স্কিম সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশাকর্মীদের জন্য করে দেওয়া হল। আবাস যোজনা স্কিমের আওতায় আরও ২ কোটি বাড়ি নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী কৃষি যোজনা ১০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।” পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী বলেন, “লাখপতি দিদির পদোন্নতি হবে। বেতন ২ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৯ কোটি নারীর জীবনে পরিবর্তন এসেছে। স্বনির্ভরতা এসেছে লাখপতি দিদির কাছ থেকে। অঙ্গনওয়াড়ি কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করা হবে। এখন পর্যন্ত এক কোটি নারীকে লাখপতি দিদি বানানো হয়েছে।”

বাজেটে লাক্ষাদ্বীপের জন্য বরাদ্দ ঘোষণা, আর কি বললেন নির্মলা সীতারামন!
অর্থমন্ত্রী বলেন, “৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের টিকা দেওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে। মধ্যবিত্তদের জন্যও আবাসন প্রকল্প আনবে সরকার। আগামী ৫ বছরে তৈরি হবে ২ কোটি বাড়ি। প্রধানমন্ত্রী আবাসের অধীনে ৩ কোটি বাড়ি তৈরি হয়েছে। মৎস্য সম্পদ যোজনা ৫৫ লক্ষ লোককে নতুন কর্মসংস্থান দিয়েছে। ৪০ হাজার সাধারণ রেল কোচকে কোচের মতো বন্দে ভারতে রূপান্তরিত করা হবে। ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্র্য দূর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার অধীনে ২২.৫ লক্ষ কোটি টাকার ৪৩ কোটি ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে।”



