BJP: নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, থানায় অভিযোগ দায়ের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোটের আগে চাকরির দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে। সেই টাকা ফেরত না দিতেই এবার পুলিশের দ্বারস্থ এক ব্যক্তি। অভিযোগ উঠেছে রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: জেলের মাছের রুচি নেই কেষ্টর, তাই মাছ মাংসের আবদার

Shamim Ahamed Ads

অভিযোগ, নির্বাচনের আগে প্রতারিত যুবক অজিত ঘোষের সঙ্গে ওই ব্যক্তির সাক্ষাত হয়েছিল। মুকুট তাঁকে এইমসের গ্রুপ সি অথবা গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের জন্য ১০ লক্ষ এবং ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় সংস্থার চাকরি বলে দোকান বিক্রি করে টাকা দেয় ওই যুবক। টাকা নেওয়ার পর যুবকের সঙ্গে বিধায়ক কোনও যোগাযোগ রাখেনি বলে জানা যায়।

নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক বাড়ছে ক্রমশ 
নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক বাড়ছে ক্রমশ

এর আগে কল্যাণীর এইমসের নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল একাধিক বিজেপি বিধায়ক এবং সাংসদদের বিরুদ্ধে। সিআইডি সূত্রে খবর, কল্যাণী এইমসে নিয়োগে দুর্নীতির কথা এর আগে উল্লেখ করেন মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ ছিল, স্কুল সার্ভিস কমিশনের মতো কল্যাণী এইমসে প্রভাব খাটিয়ে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগে বিজেপির দুই সাংসদ, দুই বিধায়ক-সহ ৮ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তে নামে সিআইডি

সূত্রের খবর, কল্যাণী এইমসে নিয়োগ-দুর্নীতির অভিযোগে এফআইআরে নাম রয়েছে বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার, বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা ও চাকদার বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ-সহ ৮ জনের।

নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক বাড়ছে ক্রমশ 

নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক বাড়ছে ক্রমশ 
নিয়োগের নামে টাকা নিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক, বিতর্ক বাড়ছে ক্রমশ

পরে বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা ও বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষের বাড়িতে অভিযান চালায় সিআইডির আধিকারিকরা। একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় নীলাদ্রিশেখর দানার মেয়ে মৈত্রী দানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এমনকি বিধায়ককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এপ্রসঙ্গে নদীয়া জেলার তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এর পিছনে আসল দোষী কে? সেটা খুঁজে বের করার দাবি তুলেছে তৃণমূল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত