নজরবন্দি ব্যুরোঃ সব ভোট পড়ে গিয়েছে বিজেপিতে, মন্তব্য শুভেন্দুর। শেষ হতে চললো বঙ্গ নির্বাচনের প্রথম দফা। আজ ২৭ মার্চ বাংলায় মোট ৫ টি জেলায় মোট ৩০টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে বাংলায়। একদিকে রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা কর্মীকে আক্রমণ করেছে বিজেপি, এবং অভিযোগের আঙুল উঠেছে বিজেপির দিকে। অপর দিকে বিজেপির তরফ কৈলাস বিজয়বর্গী, অর্জুন সিং ইতোমধ্যেই কমিশনে গিয়ে জানিয়েছেন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বাংলায়। এই নির্বাচনে কমিশনের তৎপরতায় খুশি বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ “মোদির আচ্ছে দিন”, এয়ার ইন্ডিয়া বেচতে মরিয়া কেন্দ্র।
এবারের নির্বাচন নজিরবিহীন নির্বাচন হিসেবে উঠে এসেছে এখনো পর্যন্ত। হাই আল্যার্ট, কড়া নিরাপত্তা, এবং বিকেল ৩টের মধ্যেই ভোট পড়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। এই নির্বাচন দেখে, এবং ভোটের হার দেখে অনেকেই মনে করছেন, এই হার ইঙ্গিত দিচ্ছে শাসক দলের। আর এই কথার রেশ টেনেই আজ নন্দীগ্রামের দাউদপুর ও মহম্মদপুরের জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ” চিন্তার কোনও কারণ নেই, সব ভোট পদ্মে পড়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টিকে মানুষ দু’হাত ভরে সমর্থন করেছেন।”
সব ভোট পড়ে গিয়েছে বিজেপিতে, মন্তব্য শুভেন্দুর। তিনি তৃণমূলকে কটাক্ষ করে আরও বলেন, ” দূর্নীতি আর তোষণের রাজনীতি করে বাংলাকে পিছিয়ে দিয়েছেন মাননীয়া। পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের বঞ্চিত করেছেন, বেকারদের চাকরী দিতে পারেননি। তিনি ভোট করতে চাইছেন নাকি পা দেখিয়ে ভোট চাইছেন। তিনি গোটা ভারতবর্ষের সামনে নন্দীগ্রামকে অপমান করেছেন।” তিনি আরও বলেন, ” এই লড়াই শুধু শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই নয়, এই লড়াই নন্দীগ্রাম বনাম তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই। ভবানীপুরে জিততে পারবেন না জেনেই নন্দীগ্রামে এসেছেন। আমি যখন লক্ষণ শেঠের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলাম তখনও এই রকম পাকিস্তানি উৎপাত দেখিনি।” ভোট যুদ্ধের এই লড়াইয়ে নন্দীগ্রাম থেকে এই দুই হেভিওয়েটের মধ্যে শেষ হাসি হাসবেন কে, তা জানা যাবে আগামী ২মে।



