মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব নিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। আমলাতন্ত্রকে বাঁচিয়েছেন তিনি। তাই ৩ মাসের জন্যে মুখ্যসচিব নয়, তিন বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা থাকবেন তিনিই, নবান্নের বৈঠক থেকে একথা জানিয়ে একপ্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিন কয়েক ধরেই কেন্দ্র রাজ্যের দড়ি টানাটানি চলছে আলাপনকে নিয়েই। আর এবার মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব নিলেন রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ কমছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ, স্বস্তি কলকাতা সহ রাজ্যের সব জেলায়।

মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে গিয়ে তিনি তাঁর দায়িত্ব বুঝে নেন। প্রাক্তন রাজ্য নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের ঘরেই আলাপন বসবেন বলে খবর। আলাপন কাজ করবেন আগামী তিন বছর। মাসে আড়াই লক্ষ টাকা বেতনের সঙ্গে অন্যান্য সুযোগসুবিধাও পাবেন তিনি। দিন কয়েক আগেই ৩১ তারিখ সোমবার, সকাল ১০টায় তাঁকে দিল্লিতে কর্মিবৃন্দ ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকে হাজিরা দিতে হবে জানিয়ে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্র। রাজ্যকে বলা হয়েছিল, ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্রের কাজে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁকে যেন রাজ্য সরকার মুখ্যসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু এই নির্দেশ মানেননি মুখ্যমন্ত্রী।

নাছোড় মমতা জনিয়েছিলেন ছাড়বেন না আলাপনকে। পরদিন দুপুরেই তিনি জানিয়েছিলেন চিঠি দিয়েছেন, বাকি সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। তবে মমতার আর্জি খারিজ করে দেয় মোদী সরকার। জানানো হয় আগামী কালের মধ্যেই দিল্লিতে রিপোর্ট করতে হবে তাঁকে। খোদ মমতা বৈঠক থেকে জানিয়েছিলেন, এখন মুখ্যসচিবকে ডাকলে জনসেবার কাজে ক্ষতি হবে। এটা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। কিছু ক্ষণ আগে রাজ্যের কাজে আলাপনকে নিয়ে কেন্দ্র থেকে একটি চিঠি আসে। আলাপনকে দিল্লিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে।

তার পরেই ইস্তফা দেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী তিন বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা পদে বহাল থাকবেন তিনি। বৈঠক থেকে মমতা জানিয়েদেন, ‘‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। বিজেপি হেরেছে। এই জন্য ওঁরা এ সব করছেন। ওঁরা ভোট পরবর্তী হিংসা বলে চিৎকার করছেন। ওরা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে। আমরা তো কোনও ভোট পরবর্তী হিংসা দেখতে পাইনি। আমরা জনসেবার জন্য, ইয়াস এবং করোনা পরিস্থিতিতে আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছিলাম। তাতে কেন্দ্র সিলমোহরও দিয়েছিল।’’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর