কলকাতা: আজকের পঞ্জিকা (৩০ জুন ২০২৬) অনুযায়ী মঙ্গলবারের দিনটি ধর্মীয় ও জ্যোতিষশাস্ত্রের দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আজ ভোর পর্যন্ত থাকবে আষাঢ় পূর্ণিমা (Ashadha Purnima), এরপর শুরু হবে কৃষ্ণপক্ষের প্রতিপদ (Krishna Pratipada)। পাশাপাশি আজ থাকবে ব্রহ্মা যোগ (Brahma Yoga) ও ইন্দ্র যোগ (Indra Yoga)-এর প্রভাব। কোন সময়ে শুভ কাজ করবেন, কখন রাহুকাল বা দুর্মুহূর্ত এড়িয়ে চলবেন—জেনে নিন আজকের সম্পূর্ণ পঞ্জিকা।
আজকের তিথি, নক্ষত্র ও যোগ
আজ ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার।
- তিথি: আষাঢ় শুক্লা পূর্ণিমা সকাল ৫:২৬ পর্যন্ত
- এরপর শুরু হবে আষাঢ় কৃষ্ণ প্রতিপদ
- নক্ষত্র: পূর্বাষাঢ় (সারা রাত)
- যোগ: ব্রহ্মা যোগ, পরে ইন্দ্র যোগ
- করণ: বভ বিকেল ৫:২৬ পর্যন্ত, এরপর বলভা সন্ধ্যা ৬:৩৩ পর্যন্ত, তারপর কৌলভা
- চন্দ্র: ধনু রাশিতে গোচর
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
- সূর্যোদয়: ভোর ৪:৫৫
- সূর্যাস্ত: সন্ধ্যা ৬:২৫
আজকের শুভ মুহূর্ত (৩০ জুন ২০২৬)
আজ বিভিন্ন শুভ কাজের জন্য একাধিক শুভ সময় রয়েছে।
- বিজয় মুহূর্ত: দুপুর ১:৫৫ – ২:৪৯
- নিশীথ মুহূর্ত: রাত ১১:১৯ – ১২:০১
- গোধূলি মুহূর্ত: সন্ধ্যা ৬:২৪ – ৬:৪৫
- অমৃতকাল: রাত ১:২৯ – ৩:১৭
যাঁরা পূজা, নতুন উদ্যোগ বা শুভ কাজের পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা এই সময়গুলি বিবেচনা করতে পারেন।
আজকের অশুভ সময়
পঞ্জিকা অনুযায়ী মঙ্গলবার কিছু সময় শুভ কাজ এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
- রাহুকাল: বিকেল ৩:০৩ – ৪:৪৪
- গুলিক কাল: সকাল ১১:৪০ – ১:২১
- যমগণ্ড: সকাল ৮:১৮ – ৯:৫৯
- দুর্মুহূর্ত: সকাল ৭:৩৭ – ৮:৩১
- দ্বিতীয় দুর্মুহূর্ত: রাত ১০:৩৭ – ১১:১৯
আজকের পঞ্জিকার বিশেষ গুরুত্ব
আজ পূর্ণিমা তিথি শেষ হওয়ার পর কৃষ্ণপক্ষের সূচনা হচ্ছে। জ্যোতিষশাস্ত্রে ইন্দ্র যোগকে উন্নতি, সম্মান ও শুভ সূচনার জন্য অনুকূল বলে মনে করা হয়। তবে শুভ কাজের ক্ষেত্রে রাহুকাল ও দুর্মুহূর্ত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।
📌 আজকের পঞ্জিকা এক নজরে
- 📅 তারিখ: ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার
- 🕉️ বাংলা তারিখ: ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
- 🌕 পূর্ণিমা: সকাল ৫:২৬ পর্যন্ত
- 🌑 প্রতিপদ শুরু: সকাল ৫:২৬-এর পর
- ⭐ নক্ষত্র: পূর্বাষাঢ়
- ✨ যোগ: ব্রহ্মা যোগ ও ইন্দ্র যোগ
- 🌅 সূর্যোদয়: ৪:৫৫
- 🌇 সূর্যাস্ত: ৬:২৫
- ⛔ রাহুকাল: ৩:০৩ – ৪:৪৪
আজকের পঞ্জিকা অনুযায়ী শুভ ও অশুভ সময় জেনে পরিকল্পনা করলে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। ধর্মীয় আচার, পূজা কিংবা নতুন উদ্যোগের আগে পঞ্জিকার শুভ মুহূর্ত অনুসরণ করা অনেকেই মঙ্গলজনক বলে মনে করেন।






