নজরবন্দি ব্যুরো: শিবসেনার পর এবার এনসিপি। মহারাষ্ট্রের আরও একটি শক্তিশালী সংগঠনে ভাঙন। রবিবাসরীয় দুপুরে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলে অজিত পাওয়ার। বিগত বেশ কিছু সময় ধরে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এনসিপি সভাপতি পদে পুনরায় শরদ পাওয়ারের প্রত্যাবর্তন গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছিল। অবশেষে জল্পনায় শিলমোহর। এদিন মহারাষ্ট্র সরকারে যোগ দিলেন অজিত। শীঘ্রই বিধানসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলেও জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ, রবিবাসরীয় প্রচারে অনুব্রতগড়ে ঝড় তুলছেন সুকান্ত!


এদিন সকালেই অজিতের বাসভবনে দলীয় নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ছিলেন এনসিপির বর্ষীয়ান নেতা ছগন ভুজবল, শরদ কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। সূত্রে খবর, রবিবার এনসিপির একাধিক বিধায়ককে নিয়ে রাজ্যপাল রমেশ বাইসের সঙ্গে দেখা করেন অজিত পাওয়ার। গত মে মাসে আচমকাই এনসিপি সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন শরদ পাওয়ার। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তে ফের তাঁর হাতেই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। যদিও পরবর্তী সম্ভাব্য সভাপতি হিসেবে ভাইপো অজিত পাওয়ারের নাম উঠে এসেছিল। এরপর থেকেই দূরত্ব আরও বাড়ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। এমনকি বিরোধী দলনেতার পদ থেকে সরে আসতে চেয়েছিলেন অজিত। তিন মাসের মাথায় শিবিরে ফাটল।

রবিবারে অজিতের ডাকা বৈঠক নিয়ে এনসিপি সভাপতি শরদ পাওয়ার জানিয়েছেন, “আমি জানি না কেন এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। কিন্তু বিরোধী দলনেতা হওয়ার সুবাদে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকার অধিকার তাঁর (অজিত পাওয়ার) রয়েছে। প্রায়ই বিভিন্ন জরুরী বিষয়ে আলোচনার জন্য এমন মিটিং করা হয়।”



জানা গিয়েছে, অজিত পাওয়ারের সঙ্গে রয়েছে এনসিপির মোট ৫৩ জন বিধায়কের মধ্যে ৪৩ জন বিধায়ক। রবিবার রাজভবনে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের উপস্থিতিতে শপথবাক্য পাঠ করেন অজিত। আগামী দিনে উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব ভাগ করে নেবন ফড়নবীশ-পাওয়ার। এছাড়া, প্রফুল প্যাটেল, ধনঞ্জয় মুণ্ডে, অনিল পাটিল এবং অদিতি তাতকারে- এনসিপির এইসকল নেতারাও এদিন শপথগ্রহণ করেছেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ভাঙন এনসিপি শিবিরে প্রভাব ফেলবে কি না তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।
NCP শিবিরে ভাঙন, শরদের হাত ছেড়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীপদে শপথ নিলেন Ajit Pawar!








