নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল শিলিগুড়ি বিধানসভা কমিটির চেয়ারম্যান তথা কোর কমিটির সদস্য ছিলেন নান্টু পাল। গত কাল জেলা সভাপতির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে ঐ পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। প্রথম দিকে SFI-এর সমর্থক ছিলেন নান্টু বাবু। পরে কগ্রেসে এবং কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদেন । ১৯৮৮ সাল থেকে শিলিগুড়ি পৌরসভার কাউন্সিলারের দায়িত্ব সামলেছেন নান্টু বাবু।
আরও পড়ুনঃ আইকোর চিটফান্ড মামলায় সিবিআই-এর নোটিস মানস ভুঁইয়্যাকে।


বাম থেকে কংগ্রেস এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে আসার পর ২০০৬ সালে তিনি আবার তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগ দেন। ২০০৮ সালে তিনি আবারও ফিরে আসেন তৃণমূলে। তার পর থেকেই একটা লম্বা সময় ধরে তিনি তৃণমূল। কিন্তু এবার বিধানসভা ভোটে শিলিগুড়ি বিধানসভায় প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকার জন্য দল ছেড়েছিলেন গত কাল। জানা গেছে, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই বেসুরো নান্টু।
অবশেষে গতকাল দলের জেলা সভাপতির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছিলে তিনি। নান্টুবাবুর দাবি, তৃণমূল প্রার্থী ওমপ্রকাশ মিশ্রকে শহরের মানুষ চাননি। বরং সকলে তাঁকেই তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে চেয়েছিলেন। কিন্তু তেমনটা হয়নি। আর তার জেরেই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত। শোনা যাচ্ছে, বিজেপি সমর্থিত নির্দল হিসেবে ভোটে লড়বেন তিনি। বেশ কয়েকটি খেলাধুলো ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নান্টু পাল।
নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালেও সেই সমস্ত সংগঠনের সদস্যদের পাশে পাবেন বলেই দাবি তাঁর।এর আগে এই শহরে এভাবে কোনও তৃণমূল নেতা দল ছেড়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেননি। এলাকার পরিচিত নেতা নান্টু পালের দলত্যাগে শিলিগুড়িতেও এবার শাসকদলের ফাটল চওড়া হল। শীঘ্রই এলাকায় তিনি প্রচারও শুরু করবেন বলে জানা গিয়েছে।









