বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনের নেতৃত্বে থাকা মহম্মদ ইউনূসকে তিনি পাকিস্তান ও চিনের দালাল আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ভারতকে উত্তেজিত করে আক্রমণ প্ররোচিত করার ষড়যন্ত্র চলছে, যাতে বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থমকে যায়।
অধীর চৌধুরী বলেন, “ইউনূস পাকিস্তান এবং চিনের সহায়তায় ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি চাইছেন, ভারত আক্রমণ করলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হবে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন বন্ধ রেখে জনগণকে ভারতের বিরুদ্ধে একজোট হতে বলবেন তিনি।”


শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর গত ৫ আগস্ট মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। কিন্তু পাঁচ মাসের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পদ্মাপারের দেশ। দেশের নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইউনূস প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে নির্বাচন হবে।
ইউনূস প্রশাসন ভারতের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা সংক্রান্ত বার্তাকে উপেক্ষা করছে। অধীর চৌধুরী একে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশে কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।
অধীর চৌধুরীর মতে, নির্বাচন এড়ানোর জন্যই এই উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থেকে জনগণের মনোযোগ সরাতে ভারতকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশ সরকারের জন্য জনসমর্থন আদায় সহজ হবে।”


ইউনূস প্রশাসনের পরিকল্পনা ও অধীর চৌধুরীর অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, তা স্পষ্ট নয়।







