নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের পরেই একজোট হয়েছে সমস্ত বিরোধী দলগুলি। একযোগে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। বুধবার শহিদ মিনারের সভা থেকে একই বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুলকে নিয়ে সুরাত আদালতের নির্দেশকে হাতিয়ার করে নামতে চলেছে তৃণমূল। আগামী এক মাসে মধ্যে পিটিশনের নির্দেশ অভিষেকের।
আরঅ পড়ুনঃ Mamata Banerjee: আমি এখানে ডবল ডিউটি করছি, ধর্নামঞ্চ থেকে জানালেন মমতা
এদিনের সভা থেকে অভিষেক বলেন, উনি যে কথাটা বলেছে আমি সমর্থন করি না। কারোর ভাবাবেগে আঘাত করতে চাই না। কিন্তু আমি আজ সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে গোটা ভারতবর্ষকে প্রশ্ন করতে চাই, মোদি পদবীর লোকেদের চোর বললে যদি একটি সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে আঘাত করা হয়, তাহলে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের নির্বাচনে এসে যে ভাষায় মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছিলেন, তার প্রধানমন্ত্রী পদ খারিজ হবে না কেন?

মোদি সম্প্রদায়কে আঘাত করে যদি রাহুল গান্ধীর দুই বছরের সাজা হয়, তাহলে বীরবাহা হাসদা এবং দেবনাথ হাঁসদাদের শুভেন্দু অধিকারী বলেছিল, এরা আমার জুতার তলে থাকে। তাহলে বিরোধী দলনেতার দুই বছরের জেল হবে না কেন? আইন কী আপনার জন্য আলাদা, আমার জন্যে আলাদা! এই বিচার কেন?

এরপরেই তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে অভিষেক বলেন, এই সুরাত কোর্টের নির্দেশকে হাতিয়ার করে আগামী এক মাসের মধ্যে পিটিশন করতে হবে। যদি ওবিসি সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে আঘাত করে রাহুল গান্ধী জেলে যেতে হয়, তাহলে আদিবাসীদের ভাবাবেগকে আঘাত করে কেন শুভেন্দু অধিকারী জেলে যাবে না? তারপর মানুষ দেখুক, বিচারব্যবস্থা কাকে সমর্থন করছে!
রাহুলকে নিয়ে সুরাত আদালতের নির্দেশকে হাতিয়ার, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ তৃণমূলের

এদিনের সভা থেকে অভিষেক বলেন, আমরা দেখলাম বেশ কয়েক ছাত্র নেতা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু বেনিফিট অব ডাউট থাকার পরেও আমরা তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছি। বিজেপি কার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে? এর যুক্তি দিতে গিয়ে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত অজয় মিশ্র টেনির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন তৃণমূলের সেকণ্ড ইন কম্যাণ্ড।








