২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ
২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৫ নভেম্বর ত্রিপুরায় পুরভোট। তার আগে ক্রমাগত বাড়তে রাজনৈতিক উত্তাপ। শেষ মুহুর্তের প্রচারে জোর দিয়ে আগতলায় একের পর এক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন মাণিক সরকার, বিপ্লব দেররা। এরই মধ্যে প্রচারে উপস্থিত হচ্ছেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আগরতলার রবীন্দ্র ভবন থেকে পদযাত্রা করবেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ নজরবন্দি পুরভোট, শেষ মুহুর্তের প্রচারে শান দিতে ফের ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক।

পুরভোটকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ‘আগরতলার জন্য তৃণমূল’ নামে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে তৃণমূল। কলকাতার মডেলে আগরতলায় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি রেখেছে তৃণমূল। শেষ মুহুর্তে কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে এবং ভোট দিনের কর্মসুচি বাতলে দিতে উপস্থিত হবেন অভিষেক। সেইসঙ্গে ওই দিনেই পদযাত্রা করবেন তিনি। ২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক -এর সভার আগে বাড়ছে উত্তাপ।

উল্লেখ্য, ত্রিপুরায় পুরভোটের প্রচারে উপস্থিত হয়েছেন এক ঝাঁক তৃণমূল তারকা৷ বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করছেন প্রার্থীরা। তবে সেরাজ্যে আইনশৃঙ্খলার ইস্যুতে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রার্থী, কর্মীদের ওপর হামলার পরেও কেন প্রশাসন চুপ৷ এই প্রশ্ন তুলে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। এরই মধ্যে অভিষেকের ত্রিপুরা সফরের ঘোষণা রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

কারণ, গতবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরে কম জল্পনা হয়নি। শেষ মুহুর্তে সভাস্থল বদলের নির্দেশ দেয় ত্রিপুরার বিপ্লব দেবের সরকার৷ কিন্তু আদালতের নির্দেশে সভার অনুমতি পায় তৃণমূল৷ তবে কোভিড বিধি মেনে উপস্থিত হতে পারেননি হাজারো জনতা। এবার সরকারের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা দেখার।

২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক, শেষ বেলায় প্রচারে তৃণমূল

২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক, শেষ বেলায় প্রচারে তৃণমূল 
২২ তারিখ ত্রিপুরায় অভিষেক, শেষ বেলায় প্রচারে তৃণমূল

সেইসঙ্গে আগামী দিনে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে কতটা এগোতে পারবে তৃণমূল? সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল। যদিও তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, পুরভোটে এক তৃতীয়াংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে বিজেপি। তাই শাসক দলের জয় নিশ্চিত ভেবেই এগোচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু ৫১ টি আসনে কতটা লড়াই দিতে আপ্রবে তৃণমূল? সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।