নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে আজ সকালে ট্যুইট বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সকালে তিনি দুটি ট্যুইট করেছেন। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, ছাত্র-যুবরা ভারতবর্ষের ভবিষ্যৎ। তাঁদের মধ্যে প্রতিভার কোন অভাব নেই। তিনি মনে করান নিজেও একসময় ছাত্র রাজনীতি করতেন। আর সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল তাঁর লড়াই। তাঁর কথায়, ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্যে নেতা উঠে আসে ছাত্র সমাজ থেকেই।
আরও পড়ুনঃ ২ মাস ধৈর্য্য ধরুন। টিকা প্রসঙ্গে আবেদন সিরাম কর্তার।
চলতি বছর করোনা ভাইরাসের কারনে মেয়ো রোডে গান্ধীমুর্তির পাদদেশে সভা হচ্ছে না জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন বিকেল ৩ টের সময় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি তাঁর প্রিয় ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেবেন বিকেল ৩ টের সময়। একই দিনে কিছুক্ষন পর অর্থাৎ ঠিক দুপুর ১ টার সময় গান্ধীমুর্তির পাদদেশে জেইই এবং নিট ইস্যুতে বক্তব্য রাখবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় যুব সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। উল্লেখ্য, আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে নিট এবং জেইই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য রাজ্যগুলিকে প্রস্তুতি শুরু করতে বলেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। যদিও কেন্দ্রিয় সরকারের পরীক্ষা তবুও সেই পরীক্ষার ব্যাবস্থা করতে হবে রাজ্যগুলোকেই বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু এই অতিমারি করোনা পরিস্থিতিতে কিভাবে লক্ষ লক্ষ পরিক্ষার্থীকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস, তৃণমূল সহ একাধিক অবিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জন্মদিন। গত বছর মেয়ো রোডের সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ছাত্ররাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। সবুজের দল কোন বাধা মানে না। এরাই দেশ গড়বে, সমাজ গড়বে। শিক্ষক – ছাত্রছাত্রীদের এই সুদৃঢ় বন্ধন আরও সংগঠিত করতে হবে। রাজনীতি করলে কেউ খারাপ হয় না। আমার রাজনৈতিক কেরিয়ার ছাত্রজীবন থেকেই শুরু। শুধু পড়াশোনা করার নাম জীবন নয়। আমরা চাই ছাত্ররা ভালোভাবে সমাজসেবা করুক, ভালো মানুষ হোক, প্রকৃত মানুষ হোক। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘আমি চাই উন্নততর মানুষ’।
তাঁর কথায়, ২৮ আগস্ট আমাদের কাছে একটি ঐতিহাসিক দিন। এটি ভবিষ্যৎকে পাথেয় করে এগিয়ে যাওয়ার দিন, শপথ নেওয়ার দিন, অঙ্গীকার করার দিন, মানুষকে সঙ্গবদ্ধ করা দিন। ছাত্রছাত্রীরাই নিশ্চয়ই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। কোন কোন রাজনৈতিক দল টাকার জোরে ফেসবুককে ফেকবুকে পরিণত করছে। ছাত্রছাত্রীদের এই ব্যাপারে আরও সতর্ক হতে হবে। ৩৪ বছর ধরে আমরা সিপিএমএর বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। এখন ওরা এখন দক্ষিণপন্থী দলের কাছে মাথা নত করছে। রাম রাবণের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন, রহিমের সাথে নয়। দিল্লি থেকে এসেছে ‘নকল’ রাম, আর তার সাথে জুটেছে বাম।



