নজরবন্দি ব্যুরোঃ মানবদরদী দেব, সৎকারের চাপ সামলাতে শ্মশান তৈরির নির্দেশ ঘাটালের সাংসদের। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে মারাত্মক হারে বেড়েছে সংক্রমণ। একই সাথে বেড়েছে মৃত্যু। এমন অবস্থায় দেশ জুড়ে সৎকার করাও যথেষ্ট কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লীতে কিছুদিন আগেই মৃতদেহ পোড়ানোর জন্য কাঠ বা জায়গা কিছুই মিলছিল না। এখন পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নত। উত্তরপ্রদেশে মৃতদেহ সৎকারের বদলে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে জলে।
আরও পড়ুনঃ মহিলা দলের কোচ হিসেবে রামনকে ছাঁটাই করা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ বোর্ড প্রেসিডেন্ট।
যে দেহ ভেসে এসে ইতিমধ্যেই আতঙ্ক ছরিয়েছে বিহারে। এছাড়াও বালির স্তূপে সার সার মৃতদেহ পড়ে থাকতেও দেখা গেছে সেখানে। কঠিন পরিস্থিতি এরাজ্যেও। কিছুদিন আগেই মৃতদেহের অতিরিক্ত চাপে নিমতলা শ্মশান বন্ধ করে দেওয়া হয় ৪৮ ঘণ্টার জন্য। শুধু করোনায় মৃতদের দেহ পোড়ানোর অনুমতি মেলে। রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতেও প্রায় একই ছবি। আর এবার সেই একই রকম পরিস্থিতির সাক্ষী ঘাটালবাসী। এছাড়াও জানা যাচ্ছে সেখানকার বেশিরভাগ শ্মশান ঘাটই লোকালয়ে অবস্থিত, যারফলে বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের দেহ সত্কারে ভীত সন্ত্রস্ত হচ্ছে এলাকাবাসী।
যার ফলে আপনজনের মৃতদেহ নিয়ে এক শ্মশান থেকে অন্য শ্মশানে ঘুড়তে হচ্ছে সেখানকার মানুষদের। এই সমস্যা সমাধানের জন্য এবার এগিয়ে এলেন ঘাটালের সাংসদ সুপারস্টার দেব ওরফে দীপক অধিকারী। সেই সঙ্গে তিনি যে মনের দিক থেকেও সুপারস্টার তা ফের একবার প্রমান করলেন। একেবারে ফাঁকা যায়গায় বার্নিং ঘাট তৈরির আর্জি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি লেখেন তিনি। এবং সঙ্গে সঙ্গে পেয়েও যান অনুমতি।
মানবদরদী দেব, সৎকারের চাপ সামলাতে শ্মশান তৈরির নির্দেশ ঘাটালের সাংসদের। খুব দ্রুত এই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে সাংসদের এই উদ্যোগে যথেষ্ট খুশি ঘাটালবাসী। শুধু তাই নয় তাঁর এই উদ্যোগ প্রকাশ্যে আসতেই দেবের প্রতি প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।



