বিগত এক সপ্তাহে বেশ কয়েকবার বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বহরমপুরের পাঁচ বারের সাংসদ তথা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কখনও মেজাজ হারিয়ে ধাক্কা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীকে। আবার কখনও মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন? সুজন-তন্ময়ের হয়ে ভোট চাইতে বামেদের মিছিলে গৌতম দেব
অবশেষে এক তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগে বহরমপুর থানায় গিয়ে সোমবার হাজিরা দিতে হল অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে। গত ১৩ এপ্রিল বহরমপুরে নতুনবাজার এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে তলব করে পুলিশ। হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন অধীর।

বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থীর কথায়, ‘‘শাবাশ বহরমপুর থানার পুলিশ। অতিসক্রিয়তা দেখিয়ে যে ভাবে আমার বিরুদ্ধে অনৈতিক পদক্ষেপ করা হল, এ রকম যদি শহরের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে করা হত, তা হলে খুবই ভাল হত। তিলকে তাল করছে বহরমপুর থানার পুলিশ। আমার বিরুদ্ধে মামলা করাই নয়, আমাকে থানায় ডেকেও পাঠাচ্ছে! এত বড় অন্যায় করে ফেলেছি আমি যে, থানায় হাজিরা দিয়ে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে!’’

তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ, ভোটের আগে থানায় হাজিরা দিতে হল অধীরকে
প্রসঙ্গত, অধীরের বিরুদ্ধে এবার তৃণমূলের বাজি ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান। তাই কি বর্ষীয়ান সাংসদ কিছুটা ভীত? জবাবে রবিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “বহরমপুরে আমি হারলে রাজনীতি থেকে ছুট্টি নিয়ে নেব। এত বড় কথা বলে দিলাম আজকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বলতে পারবেন যে, বহরমপুর জিতলে তাঁর জয় বা হারলে তাঁর হার হবে?’’




