নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলাদেশের ‘একুশে গ্রন্থমেলা’ র কথা আমরা মোটামুটি সবাই জানি। এবার সেই বাংলাদেশের আদলে আগামী একুশে ফেব্রুয়ারি কলকাতায় হচ্ছে ‘একুশে বই উৎসব’। আগামী ২১ তারিখ থেকে রবিবার পর্যন্ত টানা আট দিন থেকেই দক্ষিণ কলকাতার তালতলা মাঠে এই মেলা চলবে।
আরও পড়ুনঃ ‘জ্বালানির আকাশ ছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি’, প্রতিবাদে পথে নামছে তৃণমূল
প্রতি বছর ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তকমেলার’ মতো একুশে বই উৎসবেরও উদ্যোক্তা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড। কলকাতার এই উৎসবের বিশেষ সহযোগিতায় কেএমডিএ ও যোধপুর পার্ক উৎসব কমিটি রয়েছে।
এই প্রথম কলকাতার দক্ষিণে বইমেলা হচ্ছে। গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে জানিয়েছেন,“একুশে বই উৎসবের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে গ্রন্থকার তথা মুখ্যমন্ত্রীকে। মোট ৭০টি স্টল হবে।কলকাতার নামী প্রকাশন সংস্থা যেমন থাকবে তেমনই ক্ষুদ্র ও মাঝারি বহু প্রকাশক থাকবে স্টলে। প্রতিদিন দুপুর দু’টো থেকে রাত ন’টা পর্যন্ত বইমেলা চলবে।”
গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এবার থেকে প্রতি বছর ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে তালতলা মাঠেই পুস্তক মেলা হবে। নয়া বইমেলাকে সফল করতে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু না হওয়ায় এ’বছর বিদেশের কেউ না আসতে পারলেও একুশে বই উৎসবের নানা সেমিনারে বাংলাদেশ উপদূতাবাসের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্টরা অংশ নেবেন।”
বইমেলার বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের উপরাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান। গিল্ডকর্তা সুধাংশুশেখর দে এবং ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যাতে দেশপ্রিয় পার্কে ভাষা-দিবসের অনুষ্ঠানের পরে আসতে পারেন, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।
সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার প্রথম বইমেলা প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘৬০-৬৫টি স্টল নিয়ে ছোট করে বইমেলা হলেও এর মাধ্যমে খানিকটা আসলের স্বাদ মিলবে।’’



