Kamduni Rape Case: কেন ‘চরম’ শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার ‘শপথ’ কামদুনির আন্দোলনকারীদের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কামদুনি গণধর্ষণকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের রায় মেনে নিতে পারছেন না ধর্ষিতার বান্ধবীরা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা আন্দোলন করে আসছেন ধর্ষণকারীদের চরম শাস্তির দাবিতে। আজ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে এবং ৪ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্ত।

আরও পড়ুনঃ কামদুনিকাণ্ডের রায় ঘোষণা হাইকোর্টের, অপরাধীদের কী শাস্তি দিল আদালত?

বান্ধবীর ধর্ষণকারীদের চরম শাস্তির দাবিতে আন্দোলনকারী মৌসুমী কয়াল এবং টুম্পা কয়াল আজ চূড়ান্ত হতাশ। কলকাতা হাইকোর্টের বাইরে তাঁরা মাটিতে লুটিয়ে কাঁদলেন। তাঁদের দাবি ছিল, অপরাধীদের ফাঁসির হোক। সেখানে শাস্তি কমিয়ে দ্দেওয়ার সিদ্ধান নিল ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী দিনে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন বলে জানিয়েছেন টুম্পা কয়াল।

কেন 'চরম' শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার 'শপথ' কামদুনির আন্দোলনকারীদের

কলকাতা হাইকোর্টের রায়দানের পর টুম্পা কয়াল বলেন, “আমাদের বন্ধুর জন্য আমরা সেই ২০১৩ সাল থেকে আন্দোলন করছি। আমাদের উপর কম অত্যাচার হয়নি। কিন্তু আমরা সব সহ্য করেছি। কিন্তু এত বছর অপেক্ষার পর এই হল! কিন্তু আমরা থেমে থাকব না। আমরা যোগ্য বিচার পেলাম না। আমরা এই রায়ে খুশি নই। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছিলাম আমরা।” অন্যদিকে, রায়ের পর কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞান হয়ে যান মৌসুমী কয়াল।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ৭ই জুন উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে কলেজ ফেরত এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনা নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত হন ৯ জন। ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি ব্যাঙ্কশাল কোর্ট ৬ জনের শাস্তি ঘোষণা করে।

কেন 'চরম' শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার 'শপথ' কামদুনির আন্দোলনকারীদের

কেন ‘চরম’ শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার ‘শপথ’ কামদুনির আন্দোলনকারীদের

যাদের মধ্যে আনসার, আলি মোল্লা ও সইফুল আলি আমিন আলিকে ফাঁসির সাজা দেন বিচারক সঞ্চিতা সরকার। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ইমানুল হক, ভোলানাথ নস্কর ও আমিনুর ইসলামকে যাবজ্জীবন জেলের সসাজা দেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন গোপাল নস্কর নামে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। প্রমাণের অভাবে মুক্তি দেওয়া হয় অন্য দুই অভিযুক্ত রফিক গাজি এবং নুর আলিকে।

কেন 'চরম' শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার 'শপথ' কামদুনির আন্দোলনকারীদের

আজ কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনে দোষী সাব্যস্ত আনসার আলি মোল্লা ও সইফুল আলিকে ফাঁসির সাজার পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। ফাঁসির সাজা হয়েছিল অভিযুক্ত আমিন আলিরও। তিনি বেকসুর রেহাই পেলেন। নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন জেলের সাজাপ্রাপ্ত ইমানুল হক, ভোলানাথ নস্কর ও আমিনুর ইসলামকেও বেকসুর খালাস।

কেন 'চরম' শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার 'শপথ' কামদুনির আন্দোলনকারীদের
কেন ‘চরম’ শাস্তি হল না ধর্ষণকারীদের? সুপ্রিম কোর্টে যাবার ‘শপথ’ কামদুনির আন্দোলনকারীদের

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন