নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রান বাঁচল স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে। নির্বাচনের আগেই বাংলায় একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষের কাছে পৌঁছতে রাজ্য সরকার শুরু করেছিল’দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প। সমীক্ষা বলছে সত্যিই মানুষের সুয়ারে পৌঁছতে পেরেছে মমতার ব্যনার্জির সরকার। হাজার বিতর্কের মধ্যেও এই মুহুর্তে সবথেকে সফলতা পেয়েছে তৃণমূলের ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্প। একেক জায়গায় যখন বেসরকারি হাসপাতাল গুলি নানারকম ডিলেমা করছে ‘স্বাস্থ্য সাথী’ কার্ড নিয়ে, তখনই রাজ্যের নানা প্রান্তের মানুষ রোজ রোজ সুস্থ হয়ে ফিরছেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের দৌলতে।
আরও পড়ুনঃ নতুন সরকার ঘোষণা করল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী!
রোজের ঘটনায় সেই নমুনা উঠে আসছে বারবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একগুচ্ছ প্রকল্প ঘোষণা করার সময় বলেছিলেন রাজ্যের সকল মানুষের স্বার্থে এবং পরিষেবায় এই প্রকল্প। তবুও স্বাভাবিক ভাবেই প্রকল্পের খুঁত ধরতে উঠেপড়ে লেগেছিল বিরোধী দল স্থ্যসাথী ভালো না আয়ুষ্মান ভারত? তা নিয়েও কম তরজা হয়নি।
স্বাস্থসাথী নিয়ে বার বার একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতারা। এবার কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ এর 1 বিজেপি সমর্থক পরিবারের প্রাণ বাঁচালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড। জটিল রোগে আক্রান্ত মেখলিগঞ্জ ব্লকের উছলপুকুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক বধূর জটিল অস্ত্রপাচার হয়েছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের মাধ্যমে।
এবং জটিল অস্ত্রপাচার থেকে সুস্থ হয়েই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই বধু এবং তাঁর পরিবার। পরিবার গত দিক থেকে ওই পরিবার কট্টর বিজেপি সমর্থক। একাধিক বার বিজেপির ঝান্ডা হাতেও দেখা গেছে তাঁদের। এবার তৃণমূলের স্বাস্থ্য সাথি কার্দে প্রান ফিরে পেয়ে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা।
প্রান বাঁচল স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে। ব্রেন টিউমার নিয়ে অসুস্থ ওই বধুর চিকিৎসার জন্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা খরচের কথা বলেছিলেন চিকিতসক মহল। বিজেপির নেতাদের কাছে সাহায্য চেয়ে কোন সুরাহা হয়নি। ফলত বাধ্য হয়ে দ্বারস্থ হন তৃণমূলের নেতা পরেশ চন্দ্র অধিকারীর কাছে। যাবতীয় সাহায্য করে দেন তিনিই। প্রান ফিরে পেয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন মেখলিগঞ্জের ওই পরিবার।



