নজরবন্দি ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘লুক আউট’ নোটিস প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি। বিদেশ যাত্রার এক সপ্তাহ আগে ইডিকে জানালেই হবে, আজকের শুনানিতে একথাই বলে বিচারপতি সঞ্জয় কিসন কউল এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন: মণিপুর যাচ্ছে INDIA? পরিস্থিতি দেখতে উত্তর-পূর্বে প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত
এদিন শুনানি চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে দাবি করেন,অভিষেকের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে কি না ইডিকে জানাতে হবে। উত্তরে ইডির তরফের আইনজীবী জানান, অভিষেক ইতিমধ্যেই বিদেশে পৌঁছে গিয়েছে। দুপক্ষের কথা শুনে বিচারপতি ইডির উদ্দেশে বলেন, কেউ বিদেশ যেতে চাইলে অনুমতি দেবেন। কিন্তু লুক আউট নোটিস তাঁকে আটকানোর জন্য হয়। তাহলে দুটি জিনিস একসঙ্গে কীভাবে হল। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “ইডি নিজের সময় করছেন। একইভাবে আদালতের সময় নষ্ট করছে।”

যাবতীয় সওয়াল জবাবের পর বিচারপতি সঞ্জয় কিসন কউল এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ ইডিকে লুক আউট নোটিস প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয়। বলা হয়, বিদেশ যাত্রার একমাস আগে ইডিকে জানালেই হবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তরফের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে জানা, ২৬ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত তারা অভিষেককে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে।

ইডিকে লুক আউট নোটিস প্রত্যাহারের ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ, স্বস্তিতে অভিষেক-রুজিরা
প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে দুবাই যাত্রার মুখেই বিমানবন্দরে রুজিরাকে আটকায় ইডি। বিমানবন্দরে ক্লিয়ারেন্সের জন্য অভিবাসন দফতরে গেলে জানানো হয়, রুজিরার বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি রয়েছে। সম্প্রতি শীর্ষ আদালতে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বল দাবি করেন, আদালতের নির্দেশেই বিদেশ যাচ্ছিলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কেন তাঁকে আটকানো হল?এর প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্ট ইডির আইনজীবীর কাছে প্রশ্ন করে, রুজিরার বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করার প্রয়োজনীয়তা হল কেন?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চোখের চিকিৎসার জন্য গতকাল (২৭ জুলাই) সস্ত্রীক বিদেশে গিয়েছেন। আগামী ৮ আগস্ট আমেরিকার হাসপাতালে তাঁর অ্যাপয়েনমেন্ট। চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের জন্য সময় লাগবে। চিঠি লিখে ইডিকে আগেই এই সফরের কথা জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।



