নজরবন্দি ব্যুরো: বিজেপি শাসিত রাজ্য মণিপুর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। সম্প্রতি দুই নগ্ন মহিলার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এই ইস্যুতে সংসদের দুই কক্ষ সরগরম। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করে ওই রাজ্যে যাওয়ার কথা বলেছেন। এনিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে গ্যারান্টি চাইলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
মণিপুর ইস্যুতে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মণিপুর শান্ত করতে পারলে তাঁকে মণিপুরে স্বাগত জানাচ্ছি। প্রয়োজনে আমিও যাব ওঁর সঙ্গে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে কি? তার গ্যারান্টি দিতে হবে।” গত ২১ জুলাই ধর্মতলায় শহীদ দিবসে মণিপুর নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানায় এনে মমতা বলেছিলেন, “বিদেশে গিয়ে দেশের জন্য কাঁদেন, আর যাঁরা দেশে থেকে আপনার জন্য কাঁদছেন, তাদের জন্য আপনার মন কাঁদে না কেন?” যোগ করেন, ‘‘বেটি বাঁচাও স্লোগান কোথায় গেল? বেটি জ্বলছে৷ মণিপুর জ্বলছে, গোটা দেশ জ্বলছে৷ কুস্তিবীরদেরও তাই হয়েছে৷ বিলকিস কাণ্ডেও তাই হয়েছে৷ ধর্ষকদের জামিনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন৷’’

কয়েকদিন আগেই মণিপুরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল ওই রাজ্যে গিয়েছিল। গত শুক্রবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৬ টি বিরোধী দল যে জোট তৈরি হয়েছে, সেই ‘ইন্ডিয়া’ থেকে মুখ্যমন্ত্রীদের প্রতিনিধিরা যাবেন মণিপুর। এরইসঙ্গে বলেন, “আমরা মণিপুরের সঙ্গে থাকব, ছাড়ব না। প্রধানমন্ত্রী, আপনি হৃদয় বড় করুন।”

মণিপুরের মতই মালদার একটি ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দুই মহিলাকে নগ্ন অবস্থায় মারধর করা হচ্ছে। এটিকে চুরির অভিযোগ হিসেবেই দাবি করা হয়েছে। এমনকি অভিযোগকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এনিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “চুরির অভিযোগ থাকলেও দেশে তো আইন রয়েছে। আইন মেনে এর শাস্তি হওয়ার কথা। খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে যে বা যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাতে কোনো এক প্রভাবশালী বা তৃণমূল নেতা জড়িত রয়েছেন।”
মণিপুর নিয়ে গ্যারান্টি দিতে হবে মমতাকে, ‘আমি যাব ওঁর সঙ্গে’, বললেন Sukanta Majumdar




