নজরবন্দি ব্যুরো: ধেয়ে আসছে সাইক্লোন! চোখ রাঙাচ্ছে সিত্রাং। কালীপুজোতেই ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রূকুটি। শুক্রবার নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে জেলাশাসকদের পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। উপকূল থেকে মানুষদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: তীব্র হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং, উপকূলবর্তীয় এলাকায় জারি সতর্কবার্তা
রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সাইক্লোন নিয়ে বিদ্যুৎ দফতরের আজ বৈঠক হয়েছে ৷ সব বিদ্যুৎ সংস্থা সেখানে উপস্থিত ছিল। ঘূর্ণিঝড় যদি আসে, তাহলে তার মোকাবিলায় পর্যাপ্ত লোক থাকবে এবং সবরকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জোনাল-রিজিওনাল অফিস প্রত্যেকেই এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সব সাব স্টেশন ও কাস্টমার কেয়ার সেন্টার খোলা থাকবে। ৬৯৮১৭ কর্মী মোতায়েন থাকবে এবং ১৫৮২ অফিস খোলা থাকবে।

বৃহস্পতিবারই কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুর্যোগ নিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মতো কলকাতা পুরসভায় সবকটি বিভাগের কর্তা এবং আধিকারিকদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করলেন তিনি।
শুক্রবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বিপজ্জনক বাড়িগুলি ফাঁকা করে বাসিন্দাদের কমিউনিটি হলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।৫২৫৬৮ পোল, ৫৪৮০ কিমি কেবল, প্রায় সাত হাজার ট্রান্সফরমার পাঠানো হয়েছে রাজ্যের তরফে। সিইএসসি-র ৫০০০ কর্মী কলকাতার সব বোরো অফিসে থাকবেন।
ভয়াবহ আকার ধারণ করবে ঘূর্ণিঝড়, বিপজ্জনক বাড়িগুলি ফাঁকার নির্দেশ ফিরহাদের

পুরনিগমের আধিকারিকদের তিনি নির্দেশ দেন,কমিউনিটি হলগুলিতে পর্যাপ্ত পরিষেবার ব্যবস্থা রাখতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এ ব্যাপারে সক্রিয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে বাসিন্দাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও করতে হবে।



