নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার থেকে এপিসি ভবনের সামনে একটা আন্দোলনে শামিল হয়েছেন টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। দীর্ঘ সময়ে ধরে আন্দোলনের পর আমরণ অনশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। এবার সেই ধর্নার বিরোধিতায় আদালতের দ্বারস্থ হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের জেরে অসুবিধা। পর্ষদের কর্মীদের নিরাপত্তার দাবিতে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে। যদিও এই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ।
পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, এপিসি ভবনের সামনেই আন্দোলন করছেন চাকরি প্রার্থীরা। আন্দোলনের জেরে অফিসে ঢুকতে পারছেন না প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কর্মীরা। যার ফলে কোনও কাজ শুরু করা যাচ্ছে না অভিযোগ পর্ষদের। পাশাপাশি বোর্ডের কর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়ার আবেদনও করেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য এতদিন আন্দোলন চলছে, আর একদিন চললে এমন কি অসুবিধা হবে? কি কারণে দ্রুত শুনানি? প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। এরপরই পর্ষদের তরফে করা দ্রুত শুনানির আর্জি বাতিল করে দেন তিনি। মামলা করে আসার নির্দেশ বিচারপতির।
গত সোমবার থেকে একটানা ধর্নায় শামিল হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। রাতভর এপিসি ভবনের সামনেই চলছে ধর্না। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি না দেওয়া অবধি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তাঁরা।
চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের জেরে অসুবিধা, হাইকোর্টে ধাক্কা খেল পর্ষদ

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, রাস্তা থেকে অনেক দূরে আন্দোলন করছেন তাঁরা। এমনিতেও পর্ষদ ভবনে স্বাভাবিক সময়ে কেউ ঢুকতে পারে না। তাঁদের কথায়, শান্তিপূর্ণভাবে অনশন আন্দোলন চলছে। মানিক ভট্টাচার্য দুর্নীতি করেছেন। উনি জেলে গিয়েছেন। তাঁর জন্য আজ তাঁদেরকে রাস্তায় বসে আন্দোলন করতে হচ্ছে। বর্তমান সভাপতি তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে দাবি করেন চাকরি প্রার্থীরা।



