‘দুর্নীতিকে দলে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না’, বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি পদে বহাল কেষ্ট।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১০-বার সিবিআই সমন এড়িয়ে অবশেষে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কেষ্টকে গরু পাচার কাণ্ডে আটক করেছে সিবিআই। যিনি ছিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদসা, তিনিই এখন একা। যার নামে একদিন আগেও বাঘে গরুতে জল খেত একঘাটে, তাঁর বাড়ির পাশেই এখন স্লোগান উঠছে গরু ‘চোর’।

আরও পড়ুনঃ SSC-র পর মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগেও দুর্নীতি, উত্তরপত্র ফরেন্সিকে পাঠাতে নির্দেশ

আপাতত আসানসোলের জেলে থাকবেন তিনি। এদিকে সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাহলে জেলে থাকা কেষ্টর স্থানে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি হবে কে? নাকি থেকে জাবেন কেষ্টই সে প্রশ্ন উঠেছে ইতিমধ্যেই। গুঞ্জন উঠছিল পার্থ চট্টপাধ্যায়ের মতই কেষ্টকে সরিয়ে দেওয়া হবে দলের সবরকম পদ থেকে। কিন্তু পার্থ্র মত কেষ্টর ক্ষেত্রে কঠোর মনোভাব দেখাননি মমতা বন্দোপাধ্যায়।

1648912479 anubrata red

কেষ্টর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন দলনেত্রী। কেষ্ট গ্রেফতার হওয়ার দিনে সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূল বুঝিয়ে দিয়েছিল, দলের যেই হোননা কেন দুর্নীতিতে নাম জড়ালে নিজেকে ক্লিন প্রমান করার দায়িত্ব সেই অভিযুক্তেরই। কিন্তু কেষ্টর ক্ষেত্রে সেই নিয়মে বদল এসেছে। তৃণমূল সূত্রে খবর দক্ষ সঙ্গঠক কেষ্টকে এখনই দলের পদ থেকে সরানো হচ্ছেনা। অনুব্রত মণ্ডলকে সরিয়ে দিলে দলের কর্মী সমর্থকদের উপর প্রভাব পড়বে বীরভূমে। পঞ্চায়েতের আগে সেটা চাইছে না দল।

‘দুর্নীতিকে দলে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না’, বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি পদে বহাল কেষ্ট।

anubrata mondal ians 1135083 1660237769

কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল জেলে, তাহলে তাঁর জায়গায় কে চালাবে দল? সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বলা হচ্ছে অনুব্রত মণ্ডল নামই যথেষ্ট ভোটে জেতার জন্যে সে তিনি আসানসোলের জেলে থাকুন বা প্রেসিডেন্সি জেলে।এদিকে জেলা সভাপতি স্তরে সাংগঠনিক কাঠামোর অনেক সংস্কার করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বহু জেলা লোকসভা কেন্দ্র ওয়াড়ি জেলাকে একাধিক সাংগঠনিক জেলায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক ব্লক সভাপতিকে।

'দুর্নীতিকে দলে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না', বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি পদে বহাল কেষ্ট।
‘দুর্নীতিকে দলে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না’, বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি পদে বহাল কেষ্ট।

যদিও অনুব্রতর গ্রেফতারিতে দলের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, ‘‘কোনও অনৈতিক ও দুর্নীতিকে দলে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। দলের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছেন, দুর্নীতিকে কোনও ভাবেই মেনে নেবে না দল। একই কথা বলেছেন আমাদের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই হিসাবেই মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর এমন কোনও কাজ করলে, মানুষকে ঠকালে দল কোনও ভাবেই কাউকে সমর্থন করবে না।’’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন