নজরবন্দি ব্যুরোঃ ”কোনও মহিলা কারও সঙ্গে স্বেচ্ছায় সহবাস করার পর সম্পর্ক ভেঙে গেলেই তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনতে পারেন না।” সাফ জানিয়ে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। ঠিক কি কারণে এই রায় আদালতের? উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার এক মহিলা আদালতে কেস করেন এক পুরুষের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুনঃ রাইস মিলের ভিতর একাধিক গাড়ি কার? বোলপুরে ফের সিবিআইয়ের অভিযান
সেই পুরুষ ঐ মহিলার প্রেমিক। অভিযুক্ত প্রেমিকের সঙ্গে ২০০৪ সালে প্রথম সাক্ষাৎ হয় মহিলার। কিছুদিন বাদেই তাঁরা প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। তারপর ২০১৪ সালে অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করে নেন মহিলা। বিয়ের পর সেই প্রেমিকের সাথে পরকীয়া চালিয়ে যান ঐ মহিলা।

কিন্তু এই ভাবে কি আর সম্পরক রাখা যায়? সেই কারনে ২০১৭ সালে স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় মহিলার। তিনি ফিরে আসেন প্রেমিকের কাছে। কিন্তু এবার তাঁর প্রেমিক আগের প্রতারণার ‘বদলা’ নিতে নিজে অন্য মহিলাকে বিয়ে করে নেন। তাতেই রেগে গিয়ে প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন ওই মহিলা। তারপর থেকেই হাই কোর্টে মামলাটি চলছিল।

হাইকোর্ট এই মামলা খারিজ করে দিলে মহিলা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু শীর্ষ আদালত হাই কোর্টের রায় বহাল রেখে ধর্ষণের অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড় এবং এ বোপান্নার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়,”এক্ষেত্রে অভিযোগকারী এবং অভিযুক্ত ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সম্পর্কে ছিল।

স্বেচ্ছায় সহবাস করে ধর্ষণের মামলা করা যায় না, সাফ জানালো শীর্ষ আদালত
দু’জনেই প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিক্ষিত। এর মধ্যে আবার মহিলা বিয়েও করেন আবার ডিভোর্সও নেন। অভিযোগকারীই বলছেন, তাঁদের প্রেম বিয়ের আগে, পরে এবং বিচ্ছেদের পরেও চলেছে।” আদালত জানায় এক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়।



