নজরবন্দি ব্যুরোঃ এ বার বেআইনি শিক্ষক নিয়োগ মামলায় এফআইআর করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতিতে বড় অঙ্কের টাকা নয়ছয় হয়েছে। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে ইডি। বিপুল এই আর্থিক বিনিময়ের হদিশ পেতে তদন্ত শুরু করেছে ইডি। জানা গিয়েছে একটি অবৈধ শিক্ষক নিয়োগ পিছু ১০-১২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আসামের বন্যা বিধ্বস্ত মানুষের পাশে আমির, দান করলেন ২৫ লাখ
সূত্রের খবর, বড় অঙ্কের টাকা নয়ছয়ের হদিশ পেতেই সিবিআইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ইডি। মামলাকারীদের আইনজীবীদের তরফে শুরু থেকেই দাবি করা হচ্ছিল স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, স্কুল শিক্ষক নিয়োগে বিপুল অর্থের লেনদেন হয়েছে। টাকার বিনিময়ে বহু জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। এখন কয়েকটি বিশেষ প্রশ্নমালা সামনে রেখেই তদন্ত শুরু করছে ইডি।

ইডি সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে কতজনের চাকরী হয়েছে? সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে? সেই টাকার পরিমাণ কত? এর সঙ্গে পর্ষদ, স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং শিক্ষা দফতরের কোনও ব্যক্তি যুক্ত রয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখা হবে। কোনও তথ্যপ্রমাণ ববিতা-সহ অন্যান্য মামলাকারীর কাছে আছে কি না, সেটাও তদন্ত করা হবে বলে ইডি সূত্রে খবর। আপাতত স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে একটি এফআইআর দায়ের করেছে ইডি।

এর আগে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দুই মামলায় সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে হয় প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীদের। পার্থর মামলায় মামলাকারী ছিলেন আবদুল গণি আনসারি। পরেশ অধিকারীর মামলায় মামলাকারীর নাম ববিতা সরকার। ইডি সূত্রে খবর, বুধবার দুই জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মামলাকারীদের কাছ থেকে সমস্ত নথি নিয়েই তদন্ত শুরু করা হবে।
শিক্ষক নিয়োগে চাকরি পিছু ১০ লক্ষ টাকার লেনদেন, FIR করে তদন্তে নামল ED

গত মাসেই দুই মন্ত্রী সম্পত্তির হিসেব আয়কর দফতরের কাছে জানতে চেয়েছিল সিবিআই। এমনকি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির পরিমাণ জানার জন্য পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই মোতাবেক সিবিআইয়ের সঙ্গে তদন্তে হাত মিলিয়েছে ইডি। ফলে বিরাট চাপে মন্ত্রী পার্থ।



