Super Exclusive: স্বচ্ছ নন ব্রাত্য বসুও, ২০১২ সালের প্রাথমিকে ৯৫% ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ!!!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2026 ● LIVE
মোট আসন: 294
গণনা শুরু হতে বাকি:
Majority: 148/294

গণনা চলছে

0/294
এগিয়ে ➡
TMC 0
BJP 0
LEFT+ISF 0
INC 0
OTHERS 0

ফল প্রকাশিত

0/294
জয়ী ➡
TMC 0
BJP 0
LEFT+ISF 0
INC 0
OTHERS 0
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ স্কুল সার্ভিস কমিশনে শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে বেলাগাম দুর্নীতি সামনে এসেছে। সিবিআই তদন্ত চলছে। বিড়ম্বনার মুখে পড়েছেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে সব মিলিয়ে প্রায় ১৭ ঘন্টা জেরা করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও জেরা করা হয়েছে একাধিকবার। আজও তাকে জেরা করেছে সিবিআই। আজ সকালেও জেরা করা হয়েছে রাজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে।

আরও পড়ুনঃ বিনা পাশে দেদার নিয়োগ, ফাঁকা খাতার মজাই আলাদা, দুর্নীতিকাণ্ডের অডিও ফাঁস

ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হেফাজতের হাত থেকে বাঁচার জন্য রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদনও করেছিলেন পার্থ। কিন্তু আদালত তাঁকে রক্ষাকবচ দেয়নি। এদিন ১০ টা ৫০ নাগাদ নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতরে উপস্থিত হন তিনি। তবে সিবিআই আধিকারিকদের সামনে বসার আগে বাড়িতে নিজের আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করেন পার্থ। সিবিআই আধিকারিকদের দাবি, যেহেতু শিক্ষামন্ত্রী পদে তিনিই ছিলেন। তাই যে সমস্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে সেগুলির সাথে জড়িয়ে রয়েছেন পার্থ বাবুও।

manik 1

এদিকে অন্য একটি বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ এনেছেন পিটিটিআই শিক্ষক আন্দোলনের নেতা পিন্টু পাড়ুই। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে পিন্টুর দাবি, ‘স্কুল সার্ভিস নিয়ে তো যা হচ্ছে তা হচ্ছে কিন্তু যদি প্রাথমিকের ফাইল খোলা হয় তাহলে ফেঁসে যাবে অনেক বড় বড় মাথা।’ তারা কারা? উত্তরে পিন্টু বলেন, তখন ২০১২ সাল, আমি তৃণমূলের সাথে ছিলাম। নিজে সাক্ষী আছি সব ঘটনার। ২০১২ সালের টেট নিয়োগে ৯৫ শতাংশ নিয়োগ হয়েছিল বেআইনিভাবে। এবং তা হয়েছিল পর্ষদ সভাপতি মাণিক ভট্টাচার্য এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর তত্বাবধানে।’

স্বচ্ছ নন ব্রাত্য বসুও, ২০১২ সালের প্রাথমিকে ৯৫% ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ
স্বচ্ছ নন ব্রাত্য বসুও, ২০১২ সালের প্রাথমিকে ৯৫% ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ

তাঁর দাবি, ২০১২ সালের নিয়োগে জড়িয়ে রয়েছেন অনেক বিধায়ক। পিন্টুর কথায়, ‘আমি নাম ধরে ধরে বলতে পারি কোন বিধায়কের নির্দেশে কতজন নিয়োগ পেয়েছিল, শুধুমাত্র সাদা খাতা জমা দিয়ে। আমার কাছে বেশ কিছু বিধায়কের তালিকা রয়েছে।’ তাঁর আরও অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পিছনে যে যে ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সিড়ি হিসেবে কাজ করেছিল তাঁর মধ্যে অন্যতম পিটিটিআই সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি। ১০ শতাংশ রিজার্ভেশন দেওয়ার ঘোষনা করেও সেই কথা রাখেন নি মমতা।

স্বচ্ছ নন ব্রাত্য বসুও, ২০১২ সালের প্রাথমিকে ৯৫% ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ

bratya

পিন্টুর অভিযোগ, পিটিটিআই দের জন্যে নির্দিষ্ট ১০ শতাংশ রিজার্ভেশনের শূন্যপদগুলি বিক্রি করে দেওয়া হয় বড় টাকার বিনিময়ে। এবং তা করা হয় রাজনৈতিক নেতাদের ইচ্ছা অনুযায়ী। এখনও পর্যন্ত পিটিটিআই সমস্যার সমাধান করা হয়নি। পর্ষদ সভাপতি মাণিক ভট্টাচার্য আজ পর্যন্ত কোন রকম উদ্যোগ গ্রহন করেননি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত