নজরবন্দি ব্যুরো: চৌকিদারের নজর এড়িয়ে দেশ থেকে পলাতক ৩৮ জালিয়াত। স্বীকারোক্তি কেন্দ্রের। তিনি দেশের ‘চৌকিদার’; একথা বার বার নিজের মুখেই বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তা এই চৌকিদার এর রাজত্বেও ব্যাংক এ হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে একের পর এক জালিয়াত। বিরোধীদের অভিযোগ নয় আজ সংসদে নিজে মুখে একথা স্বীকার করলেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।
আরও পড়ুনঃ করোনা আবহে রক্ত সংকট মেটাতে আসরে নামল বাংলা পক্ষ।
এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান এক দুই নয় ২০১৫ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ৩৮ জন ব্যাংক জালিয়াত তিনি আরও জানান যে ৩৮ জন দেশ ছেড়েছে তাদের তদন্ত করছে সিবিআই। তবে তারা কতো টাকার দুর্নীতি করেছেন জানায়নি কেন্দ্র। তবে তা যে বিপুল অর্থ তা বলাই যায়।
কারণ ২০১৫ এর পর ভারত ছেড়েছে বিজয় মাল্য ,নীরব মোদীর মত বড় নাম যারা একাই কয়েক হাজার কোটির দুর্নীতি করেছে। ২০১৮ তে একই প্রশ্ন করা হলে সরকার জানায় ২৭ জন দেশ ছেড়েছে। অর্থাৎ গত দু বছরে পালিয়েছে ১১ জন। তবে কেন্দ্রের দাবি, তাঁরা চুপ করে বসে নেই।
আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে চাই পুষ্টি। রোগী পিছু দৈনিক ১৭৫ টাকা খাওয়ার খাতে বরাদ্দ মমতার।
অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, এই পলাতক শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে সমস্তরকম আইনি পদক্ষেপ করা হচ্ছে সরকারের তরফে। ইতিমধ্যেই, এদের মধ্যে ২০ জনকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরা যে যে দেশে আছে সেইসব দেশকে এদের প্রত্যর্পণের জন্য অনুরোধ করেছে মোদি সরকার।
ইন্টারপোলের কাছে মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করার অনুরোধও করেছে ভারত। ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু এত কিছুর পরও তো এদের দেশে ফেরানো গেল না, কটাক্ষ বিরোধীদের।



