নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৈঠক ১৪ জেলার বাস মালিকদের, দিন কয়েক ধরেই চাপান উতোর চলছে বেসরকারি বাস সংগঠন আর সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষের স্বার্থে গণপরিনহন হিসেবে বাস চলাচলের অনুমতি দিলেও এক সপ্তাহ ধরে রাস্তায় তেমন দেখা মেলেনি বাসেদের।
আরও পড়ুনঃ শহরে পেট্রোল ১০০ ছাড়িয়ে, ভবিষ্যৎ দেখাতে গরুর গাড়ি চড়ে মদন-বাণ
বেসরকারি বাস সংগঠন গুলির দাবি ছিল বাড়াতে হবে বাসের ভাড়া। দন দিন জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে পুরানো ভাড়ায় বাস চালাতে নারাজ বাস পক্ষ। সমস্যা সমাধানে মালিক পক্ষের সঙ্গে দিন কয়েক আগেই বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
বৈঠক ১৪ জেলার বাস মালিকদের, সুর নরম করে কাল থেকেই বাস নামাচ্ছেন রাস্তায়।

তবে তিনি সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন সাধারণ মানুষের স্বার্থে। ফিরহাদের বক্তব্য ছিল, আগে রাস্তায় নামুক বাস, তার পরে ভাবা হবে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে। তবে তার পরেও রাস্তায় নামেনি সব বাস। উলটে সরকার নির্দিস্ট ভাড়া না বাড়ানোর নিজেরাই বাড়িয়েছিল ভাড়া। কোন কোন বাসে উঠলেই নেওয়া হচ্ছিল ১৫ টাকা। তার পরে বাকি রাস্তার ভাড়া ধার্য্য করা হচ্ছিল কিলোমিটার ভিত্তিতে।
এতে ১২ টাকার ভাড়ার রাস্তা যেতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছল ৩০ এর বেশি টাকা। সাধারণ মানুষও চাইছিলেন যা হোক কিছু ভাড়া নির্দিষ্ট করুক সরকার। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সুর নরম করেছে বাস সংগঠন গুলি। সমস্যা সমাধানে আজ ১৪ জেলার বেসরকারি বাস মালিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন বেঙ্গল কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেন।
বৈঠক ১৪ জেলার বাস মালিকদের, সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার থেকে রাস্তায় নামছে আরপ ৩৫০০ বেসরকারি বাস। সংগঠনের পক্ষ থেকে ফের কথা বলা হবে সরকারের সঙ্গে। সূত্রের খবর বাস সংগঠনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদি এর পরেও ভাড়া না বাড়ায় সরকার, ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রোড ট্যাক্স ও দূরপাল্লার বাসের টোল ট্যাক্স মকুবের আবেদন করবে তারা।



