নজরবন্দি ব্যুরোঃ সামাজিক দুরত্ববিধি, প্রধানমন্ত্রীর মাস্ক পরার অনুরোধ, কন্টেনমেন্ট জোনে লকডাউন। কোনওকিছুতেই বাঁধ মানছে না করোনা।দেশে করোনা সংক্রমণের গতি এখন লাগামহীন। শুক্রবার অতীতের সব রেকর্ড ভাঙার পর শনিবারও প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ নতুন করে করোনার কবলে পড়লেন। এদিকে একদিনে মৃতের সংখ্যাটাও বাড়ল উদ্বেগজনক হারে। ২৪ ঘন্টায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ৬৭১ জনের।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনা তাণ্ডবের মাঝে আশার আলো দেখাচ্ছে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং।
নতুন করে এই সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে এই মুহূর্তে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১০ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭১৬ তে। মোট মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ২৭৩ জনের।ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেশে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১০,৩৮,৭১৬। বর্তমানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৫৮,৬৯২। এবং মোট ৬,৫৩,৭৫১ জন সুস্থ হয়ে উঠছেন। দেশে করোনা সংক্রমণে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৬,২৭৩।ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রে। এই মুহূর্তে মারাঠা প্রদেশে মোট আক্রান্ত ২,৯২,৫৮৯।
মহারাষ্ট্রে কোভিডে মারা গিয়েছেন ১১,৪৫২ জন। তবে এর মধ্যেই এই রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,৬০,৩৫৭ জন। অর্থাত্ এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১,২০,৭৮০। মহারাষ্ট্রের মধ্যে আবার আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সবথেকে বেশি বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে। আক্রান্তের সংখ্যায় মহারাষ্ট্রের পরেই রয়েছে তামিলনাড়ু। দক্ষিণের এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৬০,৯০৭। মৃত্যু হয়েছে ২৩১৬ জনের। খুব বেশি পিছিয়ে নেই দিল্লিও। দিল্লিতে এই মুহূর্তে আক্রান্ত হয়েছেন ১,২০,১০৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭১ জনের।
গুজরাতকে টপকে চার নম্বরে উঠে এসেছে কর্নাটক। দক্ষিণের এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫,১১৫। মৃত্যু হয়েছে ১১৪৭ জনের। গুজরাতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬,৪৩০ জন। মারা গিয়েছেন ২১০৬ জন। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, কর্নাটক ও গুজরাত, এই পাঁচ রাজ্যেই মোট আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭ লাখের কাছে। এই পাঁচ রাজ্য মিলিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬,৭৫,১৪৮ জন। এই সংখ্যা দেশের মোট আক্রান্তের ৬৫ শতাংশ। মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই পাঁচ রাজ্যের পরিসংখ্যান তো আরও ভয়াবহ। এই পাঁচ রাজ্য মিলিয়ে মোট ২০,৫৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দেশের মোট মৃত্যুর ৭৮.৩৭ শতাংশ।



